প্রশ্নের বর্ণনা

a ১১ জন
b ১৩ জন
c ১৫ জন
d ২৪ জন
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৪ জন ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন ও সাহিত্যকর্ম যা চর্যাচর্যবিনিশ্চয় নামেও পরিচিত। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে ১৯০৭ সালে আবিষ্কার করেন এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে ১৯১৬ সালে প্রকাশ করেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদের মোট পদকর্তা বা কবি ছিলেন চব্বিশ জন কিন্তু আবিষ্কারের পর দেখা যায় সাড়ে ছেচল্লিশটি পদ পাওয়া গেছে। ডক্টর সুকুমার সেনের মতে চর্যাপদের পদকর্তা সংখ্যা তেইশ জন তবে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে চব্বিশ জন এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে চব্বিশ জন পদকর্তার মতটি সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য ও পরীক্ষামূলকভাবে স্বীকৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভুসুকুপা ব্যাখ্যা: চর্যাপদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও সর্বাধিক সংখ্যক পদের রচয়িতা হলেন ভুসুকুপা যিনি মোট আটটি পদ রচনা করেছিলেন। উদাহরণ ২: লুইপা ব্যাখ্যা: চর্যাপদের প্রথম পদটির রচয়িতা হলেন লুইপা এবং তাকে চর্যাপদের আদি কবি হিসেবে গণ্য করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১১ জন — এই সংখ্যাটি চর্যাপদের পদের টিকাকার বা ভাষ্যকার মুনিদত্তের নাম কিংবা অন্য কোনো তথ্যের সাথে মিলে গেলেও মূল পদকর্তার সংখ্যার সাথে মেলে না। B) ১৩ জন — এই সংখ্যাটি বাংলা সাহিত্যের অন্য কোনো ঐতিহাসিক বা কাব্যিক সূচকের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে কিন্তু চর্যাপদের পদকর্তার সঠিক সংখ্যা নয়। C) ১৫ জন — এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের বা মধ্যযুগের অন্য কোনো সাহিত্যিক দলের সংখ্যা হতে পারে যা চর্যাপদের পদকর্তার সাথে সম্পর্কিত নয়। D) ২৪ জন — এই সংখ্যাটি সঠিক কারণ চর্যাপদের মূল পদকর্তা বা কবির সংখ্যা চব্বিশ জন বলে সর্বজনস্বীকृत। ৫. মনে রাখার টিপস: চর্যাপদের পদকর্তা চব্বিশ জন এই তথ্যটি মনে রাখার জন্য ২৪ সংখ্যাটি মনে রাখতে হবে কারণ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন এটি এবং কবি সংখ্যাও দুই ডজন বা চব্বিশ জন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চর্যাপদের পদকর্তার সংখ্যা এবং আবিষ্কারকের নাম জানতে চাওয়া হয়। চর্যাপদের প্রথম পদ কোন কবির এবং কার পদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি এই দুটি তথ্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0