প্রশ্নের বর্ণনা

a প্রবোধচন্দ্র বাগচী
b যতীন্দ্র মোহন বাগচী
c প্রফুল্ল মোহন বাগচী
d প্রণয়ভূষণ বাগচী
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) প্রবোধচন্দ্র বাগচী ১. কেন সঠিক: চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ ও এর পুথি আবিষ্কারের সঙ্গে ডক্টর প্রবোধচন্দ্র বাগচীর নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তিনি ১৯৩৮ সালে তিব্বত থেকে চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ ও টিকা আবিষ্কার এবং প্রকাশ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ডক্টর প্রবোধচন্দ্র বাগচী ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাঙালি ইতিহাসবিদ ও ভাষাতাত্ত্বিক। তিনি তিব্বতি সংগ্রহশালা থেকে চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শনের বহু অজানা তথ্য উন্মোচন করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্যসংকলন ও গানের সংকলন। ব্যাখ্যা: এর আবিষ্কার ও তিব্বতি অনুবাদের প্রকাশ বাংলা সাহিত্য ইতিহাসের গতিপথ নির্ধারণে সাহায্য করেছে। উদাহরণ ২: হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন। ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদ আবিষ্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আরেকটি ঐতিহাসিক তথ্য। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রবোধচন্দ্র বাগচী — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনিই তিব্বতি ভাষায় চর্যাপদের অনুবাদ প্রকাশ করেছিলেন। B) যতীন্দ্র মোহন বাগচী — ইনি একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক ছিলেন, চর্যাপদ আবিষ্কার বা অনুবাদের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই। C) প্রফুল্ল মোহন বাগচী — ইনি চর্যাপদ গবেষণার সঙ্গে যুক্ত কোনো খ্যাতনামা ব্যক্তিত্ব নন। D) প্রণয়ভূষণ বাগচী — ইনিও চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদের আবিষ্কারক বা প্রকাশক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: তিব্বতি অনুবাদ প্রকাশ করেছেন প্রবোধচন্দ্র বাগচী, যেখানে প্র দিয়ে প্রবোধচন্দ্র এবং প্র দিয়ে প্রকাশ মনে রাখা যায়। চর্যাপদের আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং তিব্বতি অনুবাদক প্রবোধচন্দ্র বাগচী, এই দুটি নাম গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ প্রকাশ করেন ডক্টর প্রবোধচন্দ্র বাগচী, যা বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। চর্যাপদ সম্পর্কিত সাল ও আবিষ্কারকদের নাম আলাদাভাবে তালিকা করে পড়লে সহজে উত্তর করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0