প্রশ্নের বর্ণনা

a মহাঘানী বৌদ্ধ
b বজ্রঘানী বৌদ্ধ
c বাউল
d সহজঘানী বৌদ্ধ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সহজঘানী বৌদ্ধ ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদের কবিরা সহজিয়া বৌদ্ধধর্মের সাধক ছিলেন, যাঁরা মূলত সহজযান বা সহজবজ্রযান মতবাদের অনুসারী ছিলেন। - সহজযান সাধকেরা মানবদেহের ভেতর সত্য ও মুক্তি অন্বেষণ করতেন এবং তাত্ত্বিক জটিলতার চেয়ে সহজ সাধনাকে প্রাধান্য দিতেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন ও সাহিত্যিক নিদর্শন যার আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। - বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের (৯২৩-১২০০ খ্রিষ্টাব্দ) একমাত্র প্রামাণিক ঐতিহাসিক নিদর্শন হিসেবে এটি বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনা ও জীবনচর্চার পরিচয় বহন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের পদকর্তা কাম্বলীপা। ব্যাখ্যা: কাম্বলীপা সহজযান মতবাদের একজন বিশিষ্ট সাধক ও পদরচয়িতা ছিলেন। উদাহরণ ২: চর্যাপদের কবি ভূষুকা পা। ব্যাখ্যা: ভূষুকা পা সহজিয়া সাধনায় সিদ্ধিলাভ করে চর্যাপদে কবিতা রচনা করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মহাঘানী বৌদ্ধ — মহাভ্যন বা মহাযান বৌদ্ধ মতবাদ চর্যাপদের মূল সুর নয়, তাই এটি সঠিক নয়। B) বজ্রঘানী বৌদ্ধ — বজ্রযান ও সহজযান কাছাকাছি হলেও চর্যাপদের কবিদের জন্য নির্দিষ্টভাবে এই পরিভাষাটি ব্যবহৃত হয় না। C) বাউল — বাউল সম্প্রদায় পরবর্তীকালের সৃষ্টি, যা চর্যাপদের প্রাচীন বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সঙ্গে সরাসরি এক নয়। D) সহজঘানী বৌদ্ধ — এই অপশনটি প্রশ্নানুসারে সঠিক উত্তর হিসেবে গৃহিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - চর্যাপদ মানেই সহজ জীবন এবং সহজিয়া বৌদ্ধ সাধকদের গান। - চর্যাপদের কবিরা সহজভাবে ধর্ম সাধনা করতেন বলে তাঁরা সহজযান বা সহজিয়া নামে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে ৫০ টি পদ রয়েছে। - চর্যাপদের আবিষ্কারক মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে এটি আবিষ্কার করেন।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0