প্রশ্নের বর্ণনা

a কাঁদো নদী কাঁদো
b পদ্মা মেঘনা যমুনা
c দেবদাস
d পুতুল নাচের ইতিহাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাঁদো নদী কাঁদো ১. কেন সঠিক: - কাঁদো নদী কাঁদো উপন্যাসটি বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। - এই উপন্যাসে মানুষের অস্তিত্বের সংকট, একাকীত্ব এবং নদীকেন্দ্রিক জীবনের নানা দার্শনিক দিক অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা উপন্যাসে অস্তিত্ববাদ ও মনস্তাত্ত্বিক ধারার প্রবর্তন করেন। - তাঁর উল্লেখযোগ্য অন্যান্য উপন্যাসের মধ্যে লালসালু এবং চাঁদের অমাবস্যা বিশেষভাবে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লালসালু ব্যাখ্যা: এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত গ্রামীণ সমাজজীবনের অন্ধবিশ্বাস ও প্রতারণাভিত্তিক প্রথম ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস। উদাহরণ ২: চাঁদের অমাবস্যা ব্যাখ্যা: এটি তাঁর রচিত অপরাধবোধ ও নৈতিকতার দ্বান্দ্বিক চেতনা নিয়ে লেখা একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাঁদো নদী কাঁদো — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর রচিত উপন্যাস। B) পদ্মা মেঘনা যমুনা — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস নয়, বরং এটি ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার আলাউদ্দিন আল আজাদের বিখ্যাত উপন্যাস। C) দেবদাস — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস নয়, বরং এটি কালজয়ী কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অমর প্রেমের উপন্যাস। D) পুতুল নাচের ইতিহাস — এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাস নয়, বরং এটি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক ও গ্রামীণ উপন্যাস। ৫ মনে রাখার টিপস: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর প্রধান তিনটি উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো লাল কাঁদের চাঁদ, যেখানে লাল মানে লালসালু, কাঁদের মানে কাঁদো নদী কাঁদো এবং চাঁদ মানে চাঁদের অমাবস্যা। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাসের নাম ও রচিয়তা সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। তাই তাঁর রচিত মোট উপন্যাসের সংখ্যা এবং নামগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0