প্রশ্নের বর্ণনা

a মানসী
b সোনার তরী
c চোখের বালি
d গীতাঞ্জলি
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চোখের বালি ১. কেন সঠিক: - চোখের বালি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি তাঁর একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা প্রকাশিত হয় ১৯০৩ সালে। - প্রশ্নটিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ নয় কোনটি তা জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই নাটক বা উপন্যাসের মতো অন্য ঘরানার রচনাটি এখানে সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক অবিসংবাদিত প্রতিভা যিনি কবিতা, ছোটগল্প, নাটক ও উপন্যাসসহ সাহিত্যের প্রায় সব শাখায় অসামান্য অবদান রেখেছেন। - চোখের বালি উপন্যাসে উনিশ শতকের শেষভাগের বাঙালি সমাজের পারিবারিক জীবন, বিধবার প্রেম এবং মনস্তাত্ত্বিক জটিলতা অত্যন্ত সুনিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: নৌকাডুবি ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যা ১৯০৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর মূল বিষয়বস্তু ছিল ভুল বোঝাবুঝি ও দাম্পত্য জীবন। উদাহরণ ২: যোগাযোগ ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি প্রখ্যাত উপন্যাস যা প্রকাশিত হয় ১৯২৯ সালে এবং এটি যৌথ পরিবারের ভাঙন ও মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বের ওপর রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মানসী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা প্রকাশিত হয় ১৮৯০ সালে এবং এতে কবির রোমান্টিক চেতনার প্রকাশ ঘটেছে। B) সোনার তরী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি রূপক ও প্রতীকী অর্থবহ বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা প্রকাশিত হয় ১৮৯৪ সালে এবং এর বিখ্যাত কবিতা হলো সোনার তরী। C) চোখের বালি — এটি কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটিই সঠিক উত্তর। D) গীতাঞ্জলি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিশ্বখ্যাত ভক্তিমূলক কাব্যগ্রন্থ যা ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাসগুলো মনে রাখার জন্য চোখের বালি, নৌকাডুবি, গোরা ও যোগাযোগ নামগুলো একত্রে মনে রাখতে পারো কারণ এগুলো তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ ও উপন্যাসের মধ্যে পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়, তাই কাব্য ও উপন্যাসের তালিকা আলাদা করে পড়া জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0