প্রশ্নের বর্ণনা

a আজাদ
b শিখা
c মোহাম্মদী
d সওগাত
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) শিখা ১. কেন সঠিক: - শিখা পত্রিকা ছিল ১৯২৬ সালে গঠিত মুক্তবুদ্ধি ও বুদ্ধির মুক্তির আন্দোলনকারী সংগঠন মুসলিম সাহিত্য-সমাজের মুখপত্র। - এর বিখ্যাত স্লোগান ছিল জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মুসলিম সাহিত্য-সমাজ ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে প্রতিষ্ঠিত হয় যার প্রধান প্রবক্তা ছিলেন আবুল হুসেন ও কাজী মোতাহের হোসেন। - এই পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন আবুল ফজল এবং এটি মুক্তচিন্তা প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শিখা পত্রিকা ব্যাখ্যা: এই পত্রিকায় প্রকাশিত লেখায় সমাজের গোঁড়ামি ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানানো হতো। উদাহরণ ২: বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন ব্যাখ্যা: মুসলিম সাহিত্য-সমাজের প্রধান দর্শন ছিল বুদ্ধির মুক্তি যার মূল প্রকাশ ঘটেছিল শিখা পত্রিকার মাধ্যমে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আজাদ — এটি একটি ঐতিহাসিক দৈনিক সংবাদপত্র ছিল, যা ১৯৩৬ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয় এবং এটি কোনো সাহিত্য সমাজের মুখপত্র ছিল না। B) শিখা — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি মুসলিম সাহিত্য-সমাজের মুখপত্র হিসেবে প্রামাণ্য এবং পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত। C) মোহাম্মদী — এটি মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ সম্পাদিত একটি বিখ্যাত মাসিক পত্রিকা হলেও এটি মুসলিম সাহিত্য-সমাজের মুখপত্র ছিল না। D) সওগাত — এটি মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন কর্তৃক ১৯১৮ সালে প্রকাশিত একটি প্রগতিশীল সাহিত্য পত্রিকা হলেও এটি অন্য সংগঠনের সাথে যুক্ত ছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - শিখা থেকে শিক্ষা এবং বুদ্ধি, অর্থাৎ মুসলিম সাহিত্য-সমাজের বুদ্ধির মুক্তির শিখা এভাবে মনে রাখা যায়। - শিখা পত্রিকার মুখবন্ধের স্লোগানটি প্রায়ই বিসিএস পরীক্ষায় আসে, তাই এটি মুখস্থ রাখা নিরাপদ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মুসলিম সাহিত্য-সমাজের প্রতিষ্ঠাকাল এবং এর মুখপত্রের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত ঘন ঘন আসে। - একই ধরনের অন্যান্য সংগঠনের মুখপত্রগুলো যেমন বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের বা অন্য পত্রিকার নাম আলাদা করে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0