প্রশ্নের বর্ণনা

a সারদামঙ্গল
b মনসামঙ্গল
c কেরামতমঙ্গল
d বৃক্ষমঙ্গল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মনসামঙ্গল ১. কেন সঠিক: - মনসামঙ্গল কাব্য বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাচীন নিদর্শন। - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে দেবদেবীর মহিমা প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত কাব্যগুলোকে মঙ্গলকাব্য বলা হয়, যার কালসীমা সাধারণত ত্রয়োদশ থেকে অষ্টাদশ শতাব্দী। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মনসামঙ্গল কাব্যটি সর্পদেবী মনসার পূজা প্রচারের উদ্দেশ্যে রচিত হয়েছে এবং এর আদি কবি কানাহ হরি দত্ত। - এই ধারার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও প্রথিতযশা কবি হলেন বিজয় গুপ্ত ও মঙ্গলা চরণের প্রণেতা দ্বিজ বংশীদাস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চণ্ডীমঙ্গল ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের একটি অন্যতম ধারা যা দেবী চণ্ডীর মাহাত্ম্য প্রচার করে। উদাহরণ ২: ধর্মমঙ্গল ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের আরেকটি বিশিষ্ট মঙ্গলকাব্য যা লাউ সেন ও ধর্ম ঠাকুরের উপাসনা নিয়ে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সারদামঙ্গল — এটি মধ্যযুগের রচনা নয়, বরং ঊনবিংশ শতাব্দীতে বিহারীলাল চক্রবর্তীর দ্বারা রচিত একটি আধুনিক গীতিকাব্য। B) মনসামঙ্গল — এটি মধ্যযুগের একটি প্রধান মঙ্গলকাব্য এবং প্রশ্নানুযায়ী সঠিক উত্তর। C) কেরামতমঙ্গল — এটি কোনো প্রমিত বা ঐতিহ্যবাহী মধ্যযুগীয় মঙ্গলকাব্যের নাম নয়। D) বৃক্ষমঙ্গল — এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য বা মঙ্গলকাব্যের ধারায় কোনো পরিচিত বা স্বীকৃত রচনা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মধ্যযুগের কাব্যগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো মঙ্গল শব্দটির সাথে মনসা, চণ্ডী, ধর্ম ও অন্নদা নামগুলো মনে রাখা। - মনসামঙ্গল মধ্যযুগের দেবদেবীর প্রচারভিত্তিক ধারার আদি নিদর্শন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যযুগের যুগ বিভাগ ও মঙ্গলকাব্যের আদি কবি সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - মঙ্গলকাব্যগুলোর মধ্যে মনসামঙ্গলকেই প্রাচীনতম ধারা হিসেবে গণ্য করা হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0