প্রশ্নের বর্ণনা

a আত্মচরিত
b আত্মকথা
c আত্মজিজ্ঞাসা
d আমার কথা
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আত্মচরিত ১. কেন সঠিক: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের একমাত্র আত্মজীবনীমূলক রচনার নাম 'আত্মচরিত'। - এটি তাঁর মৃত্যুর পর উনিশ শতকের শেষভাগে প্রকাশিত হয় এবং এতে তাঁর জীবনের সংগ্রাম ও সত্যনিষ্ঠার পরিচয় পাওয়া যায়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের জনক ও ঊনবিংশ শতকের অন্যতম প্রধান সংস্কারক। - তাঁর গদ্যে প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাংলা ছেদচিহ্নের সফল প্রয়োগ ঘটে এবং তিনি বাংলা শিক্ষাকে সহজলভ্য করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্যাসাগরের 'বর্ণপরিচয়' ব্যাখ্যা: এটি তাঁর রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রাথমিক শিক্ষার উপযোগী একটি মৌলিক পাঠ্যপুস্তক। উদাহরণ ২: বিদ্যাসাগরের 'শকুন্তলা' ব্যাখ্যা: এটি কালিদাসের সংস্কৃত নাটক অবলম্বনে রচিত তাঁর একটি বিখ্যাত অনুবাদ গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আত্মচরিত — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি প্রথম অপশন হিসেবে বিবেচিত এবং এটি বিদ্যাসাগরের জীবনের সত্য বিবরণ। B) আত্মকথা — এই নামের কোনো মৌলিক আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচনা করেননি। C) আত্মজিজ্ঞাসা — এটি বিদ্যাসাগরের কোনো বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম বা আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ নয়। D) আমার কথা — এই শিরোনামে বিদ্যাসাগরের কোনো প্রামাণ্য আত্মজীবনী বা সাহিত্যকর্ম প্রকাশিত হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিদ্যাসাগরের নিজের জীবনের চরিত বা চরিত্র কেমন ছিল তা জানতে পড়ি 'আত্মচরিত'। - লেখকের আত্মজীবনীমূলক রচনার নাম মনে রাখতে মূল চরিত্রের নামের সঙ্গে মিলিয়ে গ্রন্থটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের আত্মজীবনী ও ভ্রমণকাহিনি প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্ম ১৮২০ সালে এবং মৃত্যু ১৮৯১ সালে, যা বাংলা সাহিত্য অধ্যয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0