প্রশ্নের বর্ণনা

a নূরলদীনের সারাজীবন
b রক্তাক্ত প্রান্তর
c শর্মিষ্ঠা
d একেই কি বলে সভ্যতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) নূরলদীনের সারাজীবন ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরের মূল কারণ: সৈয়দ শামসুল হকের রচিত 'নূরলদীনের সারাজীবন' নাটকটি মূলত বাঙালির মুক্তি চেতনা এবং অধিকার আদায়ের দীর্ঘ সংগ্রামের পটভূমিতে রচিত একটি উজ্জ্বল নাটক। - ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: অষ্টাদশ শতাব্দীর কৃষক বিদ্রোহের নেতা নূরলদীনের জীবন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে নাট্যকার মূলত ষাট ও সত্তরের দশকের বাঙালি জাতির স্বাধিকার আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধকে রূপায়িত করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সংশ্লিষ্ট লেখক: সৈয়দ শামসুল হক আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন অন্যতম প্রধান কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার। - নাটকের পরিচিতি: এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে কাব্যনাট্য হিসেবে বিশেষ স্থান দখল করে আছে যেখানে ইতিহাস ও সমকাল মিশে গেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মুনীর চৌধুরীর 'রক্তাক্ত প্রান্তর' ব্যাখ্যা: এই নাটকটিও ঐতিহাসিক পটভূমিতে রচিত যা বাঙালি জাতির মুক্তিসংগ্রাম ও ত্যাগের চেতনাকে পরোক্ষভাবে ধারণ করে। উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীউদ্দের 'বহিপীর' ব্যাখ্যা: এটি সমাজ সংস্কার ও মানুষের মুক্তির কথা বললেও সরাসরি বাঙালির মুক্তি চেতনার উজ্জীবনমূলক নাটক হিসেবে নূরলদীনের সারাজীবন অধিকতর পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নূরলদীনের সারাজীবন — এটি বাঙালির মুক্তি চেতনায় উজ্জীবনমূলক নাটক হওয়ায় সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। B) রক্তাক্ত প্রান্তর — এটি পানিপ্রতের তৃতীয় যুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি বিয়োগান্তক নাটক যা মূলত সাম্প্রদায়িকতা ও যুদ্ধের নির্মমতা ফুটিয়ে তোলে। C) শর্মিষ্ঠা — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক পৌরাণিক নাটক। D) একেই কি বলে সভ্যতা — এটি মীর মশাররফ হোসেন রচিত একটি প্রহসনমূলক নাটক যা তৎকালীন সমাজের অবক্ষয় ও কুসংস্কার নিয়ে রচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: মুক্তি চেতনা এবং বিদ্রোহের প্রতীক বললেই নূরলদীনের সারাজীবন এবং এর রচয়িতা সৈয়দ শামসুল হকের নাম মনে রাখতে হবে। ঐতিহাসিক চরিত্র নূরলদীনকে কেন্দ্র করে রচিত কাব্যনাট্য পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সাহিত্যকর্ম। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নূরলদীনের সারাজীবন নাটকটি ১৯৭০ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর পটভূমি হলো রংপুরের কৃষক বিদ্রোহ। এই ধরনের প্রশ্নে নাটকের মূল থিম বা প্রেক্ষাপট ভালোমতো খেয়াল করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0