প্রশ্নের বর্ণনা

a অগ্নিবীণা
b দোলনচাঁপা
c ঝরাপালক
d পুরের হাওয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ঝরাপালক ১. কেন সঠিক: - ঝরাপালক হলো আধুনিক বাংলা কবিতার রূপকার কবি জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। - এই গ্রন্থটি প্রকাশের মাধ্যমেই আধুনিক বাংলা কাব্যাঙ্গনে জীবনানন্দ দাশের স্বকীয় ও ব্যতিক্রমী কাব্যপ্রতিভার আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালের ১৭ই ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৫৪ সালের ২২শে অক্টোবর কলকাতায় মারা যান। - তিনি বাংলা আধুনিক কবিতার নির্জনতম কবি হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর কবিতায় বাংলার প্রকৃতি ও মানুষের অন্তরের বিষণ্নতা গভীরভাবে প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ধূসর পান্ডুলিপি ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের দ্বিতীয় এবং অত্যন্ত বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ, যা আধুনিক বাংলা কবিতার ইতিহাসে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। উদাহরণ ২: বনলতা সেন ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ এবং বাংলা ভাষার অন্যতম জনপ্রিয় একটি দীর্ঘ কবিতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্নিবীণা — এটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, তাই এটি জীবনানন্দ দাশের রচনা নয়। B) দোলনচাঁপা — এটি কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যা জীবনানন্দ দাশের রচিত নয়। D) পুরের হাওয়া — এটি কোনো স্বীকৃত বা প্রধান সাহিত্যকর্ম নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর হতে পারে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্য ঝরে যাওয়া পাতা বা ঝরাপালক দিয়ে শুরু হয়েছিল এভাবে মনে রাখতে পারো। - তাঁর অন্যান্য প্রধান কাব্যগুলো মনে রাখার জন্য ধূসর পান্ডুলিপি, বনলতা সেন ও মহাপৃথিবী নামগুলো একসাথে চর্চা করতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ঝরাপালক প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ বা বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0