প্রশ্নের বর্ণনা

a রিক্তের বেদন
b সর্বহারা
c আলেয়া
d কুহেলিকা
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কুহেলিকা ১. কেন সঠিক: - কুহেলিকা হলো বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত ও রাজনৈতিক উপন্যাস যা ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়। - এই উপন্যাসে তৎকালীন রাজনৈতিক আন্দোলন, বিপ্লব এবং যুবসমাজের বিপ্লবী চেতনা অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের একজন বহুমুখী প্রতিভাধর লেখক হলেও তিনি মূলত কবি হিসেবে সমধিক পরিচিত। - তিনি মোট তিনটি উপন্যাস রচনা করেছেন যার নামগুলো হলো বাঁধন হারা, মৃত্যুক্ষুধা এবং কুহেলিকা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাঁধন হারা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত পত্রোপন্যাস যা ১৯২৭ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: মৃত্যুক্ষুধা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় উপন্যাস যা ১৯৩০ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে দারিদ্র্যপীড়িত মানুষের জীবনচিত্র ফুটে উঠেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রিক্তের বেদন — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ যা ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়। B) সর্বহারা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়। C) আলেয়া — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত সংগীতনাট্য বা নাটক যা ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়। D) কুহেলিকা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি উপন্যাস এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: - নজরুলের উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তার তিনটি উপন্যাসের প্রথম অক্ষরগুলো মিলিয়ে পড়া বা মনে রাখা। - তার উপন্যাস তিনটি হলো বাঁধন হারা, মৃত্যুক্ষুধা এবং কুহেলিকা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস, নাটক বা গল্পগ্রন্থের নাম আলাদা করতে বলা হয়। - তাই তার তিনটি উপন্যাস বাঁধন হারা, মৃত্যুক্ষুধা এবং কুহেলিকা ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0