প্রশ্নের বর্ণনা

a জয়নব
b কাসেম
c হোসেন
d কুবের
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) কুবের ১. কেন সঠিক: - কুবের মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের প্রধান চরিত্র এবং বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। - বিষাদ সিন্ধু একটি ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক উপন্যাস যার মূল প্রেক্ষাপট কারবালার বিষাদময় ঘটনা এবং ইসলাম ধর্মের শুরুর দিকের ইতিহাস। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের রচয়িতা মীর মশাররফ হোসেন যিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক গদ্যশিল্পী ও ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত। - এই মহাকাব্যিক উপন্যাসটি তিনটি খণ্ড নিয়ে গঠিত যথা মহরম পর্ব, উদ্ধার পর্ব এবং এজিদ বধ পর্ব। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের চরিত্র হোসেন ব্যাখ্যা: হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর দৌহিত্র ইমাম হোসেন এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র যিনি কারবালার যুদ্ধে শহীদ হন। উদাহরণ ২: পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের চরিত্র কুবের ব্যাখ্যা: কুবের হলো মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের একজন জেলের চরিত্র যা বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের বহির্ভূত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) জয়নব — জয়নব বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নারী চরিত্র। B) কাসেম — ইমাম হাসান ও ইমাম হোসেনের পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কিত কাসেম এই উপন্যাসের একটি পরিচিত চরিত্র। C) হোসেন — মহানবী (সা.) এর দৌহিত্র এবং বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের কেন্দ্রীয় ও প্রধান চরিত্র ইমাম হোসেন। D) কুবের — কুবের এই উপন্যাসের চরিত্র নয় বরং এটি অন্য একটি বিখ্যাত উপন্যাসের প্রধান চরিত্র। ৫ মনে রাখার টিপস: - মীর মশাররফ হোসেনের বিষাদ সিন্ধু মূলত কারবালার শোকাবহ ইতিহাস নিয়ে রচিত তাই এর চরিত্রগুলো ইসলামি ইতিহাসের সঙ্গে সম্পর্কিত। - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসের চরিত্রগুলোর সঙ্গে মীর মশাররফ হোসেনের চরিত্রের কোনো মিল নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিষাদ সিন্ধু উপন্যাসের চরিত্রগুলো মনে রাখতে কারবালার ট্র্যাজেডির সঙ্গে জড়িত ঐতিহাসিক নামগুলো চর্চা করতে হবে। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চরিত্রভিত্তিক প্রশ্ন কমন পাওয়ার জন্য ঔপন্যাসিকের নাম ও তার বিখ্যাত উপন্যাসের চরিত্র তালিকা মুখস্থ রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0