প্রশ্নের বর্ণনা

a বুদ্ধদেব বসু
b জীবনানন্দ দাশ
c কাজী নজরুল ইসলাম
d অচিন্তকুমার সেনগুপ্ত
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম ব্যঙ্গাত্মক লেখা ও কলাম রচনার জন্য 'ব্যাঙাচি' ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন লেখকের ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের একজন জাতীয় কবি এবং বিংশ শতাব্দীর প্রধান বাঙালি কবি ও সংগীতকার। - তিনি কবিতা, গান, উপন্যাস ও প্রাবন্ধিক রচনার পাশাপাশি বিভিন্ন পত্রিকায় ছদ্মনামে সমাজ ও রাজনীতির নানা অসংগতি নিয়ে লিখতেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাল্ট ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলামের আরেকটি অন্যতম পরিচিত ছদ্মনাম ছিল কাল্ট। উদাহরণ ২: ধুমকেতু ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় প্রকাশিত বিদ্রোহী পত্রিকার নাম ছিল ধুমকেতু। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বুদ্ধদেব বসু — ইনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের ত্রিশ দশকের একজন প্রখ্যাত কবি, প্রাবন্ধিক ও সাহিত্য সমালোচক। B) জীবনানন্দ দাশ — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার রূপসী বাংলার কবি হিসেবে পরিচিত এবং মৃত্যুর পর খ্যাতি অর্জন করেন। D) অচিন্তকুমার সেনগুপ্ত — ইনি বাংলা সাহিত্যের কল্লোল যুগের একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও কবি ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ছদ্মনাম মনে রাখার জন্য ব্যাঙাচি শব্দটি মাথায় রাখতে হবে। ছদ্মনামের বৈচিত্র্য তাঁর সাংবাদিক ও বিদ্রোহী জীবনের পরিচয় বহন করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের ছদ্মনাম যেমন বনফুল, বীরবল, ব্যাঙাচি প্রায়ই আসে। ছদ্মনামগুলোর সঠিক উৎস ও লেখক চিনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0