প্রশ্নের বর্ণনা

a 1929
b 1930
c 1941
d 1942
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৯৪২ ১. কেন সঠিক: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১৯৪২ সালের জুলাই মাসে হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তার বাকশক্তি চিরতরে হারিয়ে ফেলেন। এই অসুস্থতার ফলে তিনি আমৃত্যু দীর্ঘ চৌত্রিশ বছর সাহিত্যসাধনা থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন ও নীরব জীবন কাটাতে বাধ্য হন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, সংগীতজ্ঞ, ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক হিসেবে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। ১৯৪২ সালের পর তার সাহিত্যিক জীবন আকস্মিকভাবে থেমে যায় এবং ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট তিনি ঢাকায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অগ্নিবীণা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম ও অন্যতম বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: বিদ্রোহী ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের সর্বাধিক জনপ্রিয় কবিতা যা তাকে বিদ্রোহী কবির খ্যাতি এনে দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯২৯ — এই সালে কলকাতার এলবার্ট হলে বঙ্গীয় মুসলিম তরুণ সংঘের পক্ষ থেকে কাজী নজরুল ইসলামকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংবর্ধনা জানানো হয়। B) ১৯৩০ — এই সালে কাজী নজরুল ইসলাম শ্রমিক প্রজা স্বরাজ দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন কিন্তু জয়ী হতে পারেননি। C) ১৯৪১ — এই সালে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে কবিকে কলকাতার মুসলিম ইনস্টিটিউটে সংবর্ধনা দেওয়া হয় যা ছিল তার জীবনের শেষ প্রকাশ্য সংবর্ধনা। D) ১৯৪২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই কবি মারাত্মক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে বাকশক্তি হারান। ৫. মনে রাখার টিপস: নজরুলের বাকশক্তি হারানোর সাল মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুর ঠিক পরের বছর অর্থাৎ ১৯৪২ সালে এই ট্র্যাজেডি ঘটেছিল। তার সাহিত্যজীবনের সক্রিয় সময়কাল ছিল মূলত ১৯১৯ থেকে ১৯৪২ সাল পর্যন্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবির জীবনের এই বিয়োগান্তক ঘটনার সাল প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রকাশের সাল ১৯২২ এবং বাকশক্তি হারানোর সাল ১৯৪২ এই দুটি তথ্য পরীক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0