প্রশ্নের বর্ণনা

a 1940
b 1939
c 1941
d 1942
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) 1942 ১. কেন সঠিক: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ১৯৪২ সালের ১০ই জুলাই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং চিরতরে বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেন। এরপর আমৃত্যু তিনি আর কথা বলতে পারেননি, তাই এই সালটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও আমাদের জাতীয় কবি। ১৯৪২ সালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে বাকরুদ্ধ হওয়ার পর তাঁর সাহিত্যসাধনার সমাপ্তি ঘটে এবং তিনি দীর্ঘকাল নির্বাক জীবন কাটান। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্রোহী কবিতা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম যা তাঁকে রাতারাতি জনপ্রিয়তা এনে দেয়। উদাহরণ ২: অগ্নিবীণা ব্যাখ্যা: এটি কবির প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যা বাংলা কবিতায় এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) 1940 — এই সালে কবি বাকরুদ্ধ হননি বরং তিনি বিভিন্ন সাহিত্যকর্মে ও সাংবাদিকতায় সক্রিয় ছিলেন। B) 1939 — এই সালে কাজী নজরুল ইসলাম বাকরুদ্ধ হননি, এটি তাঁর জীবনের সাধারণ একটি সময়কাল। C) 1941 — এই বছরে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণে তিনি বিখ্যাত 'রবীন্দ্রনাথ' শীর্ষক প্রাবন্ধিক শ্রদ্ধাঞ্জলি ও কবিতা রচনা করেছিলেন। D) 1942 — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই সালেই কবি মারাত্মক অসুস্থ হয়ে বাকশক্তি হারিয়েছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের অসুস্থতা মনে রাখতে সালটি এভাবে ভাবা যায় যে স্বাধীনতার অনেক আগে ১৯৪২ সালে আমাদের বিদ্রোহী কণ্ঠ চিরতরে স্তব্ধ হয়ে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: জাতীয় কবির জন্ম ও মৃত্যুর পাশাপাশি তাঁর বাকরুদ্ধ হওয়ার সালটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বারবার আসে। একই সঙ্গে তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা এবং প্রথম প্রকাশিত গান কোনটি তা জেনে রাখা দরকার।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0