প্রশ্নের বর্ণনা

a গীতাগোবিন্দ -তে
b প্রাকৃতপৈঙ্গল- এ
c কবীন্দ্রবচন - এ
d সদুক্তিকর্ণামৃত - তে
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রাকৃতপৈঙ্গল- এ ১. কেন সঠিক: - প্রাকৃতপৈঙ্গল সংস্কৃত ভাষায় রচিত একটি প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ব্যাকরণ এবং ছন্দগ্রন্থ, যাতে বাঙালি কবিদের রচিত শ্লোক বা পদ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। - এই গ্রন্থে প্রাচীন বাংলা ভাষার নিদর্শন ও বাঙালি কবিদের সাহিত্যিক অবদানের ঐতিহাসিক প্রমাণ পাওয়া যায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্রাকৃতপৈঙ্গল হলো একটি প্রাচীন সংস্কৃত ও প্রাকৃত ভাষার গ্রন্থ যা মূলত ছন্দ এবং ব্যাকরণ নিয়ে আলোচনা করে। - এতে ডোম্বরপা, কহ্নপপা প্রমুখ বাঙালি ও অবধূত পাদের মতো সিদ্ধাচার্যদের পদ ও শ্লোক অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদ ব্যাখ্যা: চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন যা সান্ধ্য ভাষায় রচিত এবং এতে বাঙালি কবিদের সমাজচিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ব্যাখ্যা: বড়ু চণ্ডীদাস রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম নিদর্শন এবং এতে প্রাকৃত ভাষার প্রভাব রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গীতাগোবিন্দ -তে — জয়দেব রচিত এই সংস্কৃত কাব্যটি মূলত শ্রীকৃষ্ণ ও রাধার প্রেমের গান এবং এতে নির্দিষ্ট কোনো বাঙালি কবিদের শ্লোক সংকলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল না। B) প্রাকৃতপৈঙ্গল- এ — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে বাঙালি কবিদের শ্লোক রয়েছে। C) কবীন্দ্রবচন - এ — এটি মূলত ভোজরাজ বা অন্য কোনো সংকলকের সংস্কৃত শ্লোকের সংকলন যেখানে প্রধানত বাঙালি কবিদের শ্লোক অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি মূল বৈশিষ্ট্য নয়। D) সদুক্তিকর্ণামৃত - তে — শ্রীধর দাস কর্তৃক সংকলিত এই সংস্কৃত মুক্তক কাব্য সংকলনে বাঙালি কবিদের শ্লোক থাকলেও এটি ব্যাকরণ বা প্রধানত প্রাকৃত কাব্য-সংকলন হিসেবে চিহ্নিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রাকৃত ভাষা ও বাঙালি কবিদের শ্লোক মনে রাখতে প্রাকৃতপৈঙ্গল নামটি মনে রাখবে। - ব্যাকরণ ও ছন্দের গ্রন্থ হিসেবে প্রাকৃতপৈঙ্গল বিশেষভাবে পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রাকৃতপৈঙ্গল গ্রন্থটি প্রাচীন বাংলা ভাষার রূপ বোঝার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঐতিহাসিক দলিল। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাচীন বাংলা ভাষার নিদর্শন সম্পর্কিত প্রশ্নে এটি প্রায়ই আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0