প্রশ্নের বর্ণনা

a ইংরেজি
b ফারসি
c মাগবী প্রাকৃত
d আরবি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) মাগবী প্রাকৃত ১. কেন সঠিক: - বাংলা ভাষার জন্ম প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা থেকে প্রাকৃত ভাষার বিবর্তনের মাধ্যমে হয়েছে। - মাগবী প্রাকৃত ভাষা থেকেই মূলত পূর্ব ভারতীয় প্রাকৃত ও অপভ্রংশ হয়ে বাংলা ভাষার উদ্ভব ঘটেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - ভারতীয় আর্য ভাষার তিনটি স্তর যথা প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা, মধ্য ভারতীয় আর্য ভাষা এবং আধুনিক ভারতীয় আর্য ভাষার কাল পরিক্রমায় প্রাকৃত স্তর থেকে বাংলা ভাষার জন্ম। - ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে মাগবী অপভ্রংশ থেকে বাংলা ভাষার সৃষ্টি হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংস্কৃত শব্দ সূর্য প্রাকৃত স্তরে এসে সুরিয এবং পরবর্তীতে বাংলায় সূর্য বা সুর্য রূপ লাভ করে। ব্যাখ্যা: প্রাকৃত ভাষার পরিবর্তনের মাধ্যমে বাংলা শব্দের রূপান্তর ঘটার এটি একটি স্পষ্ট উদাহরণ। উদাহরণ ২: প্রাকৃত ভাষা অটুট থেকে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় শব্দটি নানা রূপ ধারণ করে যেমন হস্ত থেকে হত এবং হাত হয়। ব্যাখ্যা: প্রাকৃত ভাষার শব্দ পরিবর্তিত হয়ে আধুনিক বাংলা শব্দে রূপান্তরিত হওয়ার প্রক্রিয়াটি এতে বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংরেজি — ইংরেজি একটি ভিন্ন ভাষা পরিবারের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি জার্মানীয় ভাষার শাখা যার সঙ্গে বাংলা ভাষার জন্মের কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। B) ফারসি — ফারসি ইন্দো-ইরানীয় ভাষার শাখা এবং এটি মধ্যযুগে বাংলায় প্রশাসনিক ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হলেও বাংলা ভাষার জন্মদাতা নয়। D) আরবি — আরবি ভাষা সেমিটিক ভাষা পরিবারের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি ইসলামের পবিত্র ভাষা হলেও বাংলা ভাষার মূল উৎস নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাংলা ভাষার জন্ম মনে রাখার সহজ সূত্র হলো সংস্কৃত থেকে প্রাকৃত এবং প্রাকৃত থেকে বাংলা ভাষার সৃষ্টি হয়েছে। - মাগবী প্রাকৃত নামটি মনে রাখলে পরীক্ষার সময় সঠিক অপশন নির্বাচন করা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে বাংলা ভাষার উদ্ভব মাগবী অপভ্রংশ থেকে হয়েছে যা বিসিএস পরীক্ষায় বারবার আসে। - ভাষা পরিবার এবং ভাষার উৎস সংক্রান্ত প্রশ্ন সমাধানের জন্য প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার স্তরগুলো ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0