প্রশ্নের বর্ণনা

a লাঙ্গল
b নবযুগ
c ধূমকেতু
d বিজলী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) বিজলী ১. কেন সঠিক: কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি প্রথম ১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি (বাংলা পৌষ ১৩২৮) ‘বিজলী’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এই কবিতাটি প্রকাশের পর থেকেই বাংলা সাহিত্যজগতে এক অভূতপূর্ব সাড়া জাগায় এবং কবিকে রাতারাতি ‘বিদ্রোহী কবি’ হিসেবে পরিচিত করে তোলে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ‘বিজলী’ পত্রিকা ১৯২২ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা ছিল, যার সম্পাদক ছিলেন সাংবাদিক ও সাহিত্যিক বরদাভূষণ চক্রবর্তী। কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন বিংশ শতাব্দীর বাঙালি কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও সংগীতজ্ঞ যিনি বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি হিসেবে সমাদৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থ। ব্যাখ্যা: ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি নজরুলের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’-র অন্তর্ভুক্ত অত্যন্ত প্রভাবশালী একটি কবিতা। উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের ‘সাম্যবাদী’ কবিতা। ব্যাখ্যা: এই কবিতায় কবির অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও মানবতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গির অপূর্ব প্রকাশ ঘটেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লাঙ্গল — এটি কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় প্রকাশিত একটি সাময়িকী, যেখানে তাঁর ‘সাম্যবাদী’ কবিতা ও নানা লেখা প্রকাশিত হয়েছিল। B) নবযুগ — এটি একটি সান্ধ্য পত্রিকা ছিল যার সাথে নজরুল ও মোজাফফর আহমদ যুক্ত ছিলেন, তবে এখানে ‘বিদ্রোহী’ প্রকাশিত হয়নি। C) ধূমকেতু — এটি নজরুলের নিজস্ব অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা ছিল যেখানে ‘আনন্দময়ীর আগমনে’ কবিতা প্রকাশের জন্য তাঁর কারাদণ্ড হয়েছিল। D) বিজলী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই পত্রিকাতেই ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত ও সমাদৃত হয়েছিল। ৫. মনে রাখার টিপস: বিদ্রোহী কবিতার সাথে ‘বিজলী’ পত্রিকা মনে রাখতে বিজলী শব্দের বিদ্যুৎ বা চমক শব্দটিকে স্মরণে রাখতে পারো। নজরুলের বিদ্রোহী কবিতার চমক বিজলী বা বিদ্যুতের মতো পুরো বাংলা সাহিত্যে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটির প্রকাশকাল ও পত্রিকার নাম জানতে চাওয়া হয়। মনে রাখবে, কবিতাটি যুগান্তর পত্রিকাতেও একই দিনে বা পরে প্রকাশিত হলেও প্রথম ‘বিজলী’ পত্রিকাতেই আত্মপ্রকাশ করে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0