প্রশ্নের বর্ণনা

a গীতাঞ্জলি ও অগ্নিবীণা
b ডাকঘর ও শ্রীকান্ত
c নীলদর্পন ও বিষাদ-সিন্ধু
d লালসালু ও বলাকা
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) গীতাঞ্জলি ও অগ্নিবীণা ১. কেন সঠিক: - গীতাঞ্জলি ও অগ্নিবীণা উভয়ই বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ এবং দুটিই পদ্য বা কবিতা ধারার অন্তর্গত। - এই দুটি রচনা সাহিত্যের একই শ্রেণি অর্থাৎ কাব্যগ্রন্থ বা কবিতা সংকলন হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - গীতাঞ্জলি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। - অগ্নিবীণা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে বিদ্রোহী কবিতার সমাহার রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সঞ্চয়িতা ও শেফালী ব্যাখ্যা: সঞ্চয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এবং শেফালী কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা সংকলন হওয়ায় এরা একই কাব্য শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। উদাহরণ ২: সোনালী কাবিন ও রূপসী বাংলা ব্যাখ্যা: সোনালী কাবিন আল মাহমুদের এবং রূপসী বাংলা জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা একই সাহিত্য শ্রেণির উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গীতাঞ্জলি ও অগ্নিবীণা — সঠিক উত্তর কারণ উভয়ই কাব্যগ্রন্থ। B) ডাকঘর ও শ্রীকান্ত — ডাকঘর একটি নাটক এবং শ্রীকান্ত একটি উপন্যাস হওয়ায় এরা একই শ্রেণির রচনা নয়। C) নীলদর্পন ও বিষাদ-সিন্ধু — নীলদর্পন একটি নাটক এবং বিষাদ-সিন্ধু একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস হওয়ায় এদের শ্রেণি আলাদা। D) লালসালু ও বলাকা — লালসালু একটি উপন্যাস এবং বলাকা একটি কাব্যগ্রন্থ হওয়ায় এরা ভিন্ন শ্রেণির সাহিত্যকর্ম। ৫ মনে রাখার টিপস: - কাব্যগ্রন্থ চেনার সহজ উপায় হলো রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের বিখ্যাত কবিতার বইগুলোর নাম আলাদা করে মনে রাখা। - গদ্য ও পদ্যের পার্থক্য মাথায় রাখলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন বিখ্যাত বইয়ের সাহিত্যিক রূপ বা শ্রেণি জানতে চাওয়া হয়। - কোনো রচনার নাম দেখার পর সেটি নাটক, উপন্যাস নাকি কাব্যগ্রন্থ তা যাচাই করার অভ্যাস করা উচিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0