প্রশ্নের বর্ণনা

a বেলা অবেলা কালবেলা ও ধূসর পাণ্ডুলিপি
b বনলতা সেন ও উত্তর ফাল্গুনী
c ঝরা পালক ও রাখালী
d ছাড়পত্র ও বনলতা সেন
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বেলা অবেলা কালবেলা ও ধূসর পাণ্ডুলিপি ১. কেন সঠিক: প্রশ্নটি লেখক ও সাহিত্যকর্ম ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত এবং আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের দুটি কাব্যগ্রন্থ চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে। অপশন এ তে থাকা বেলা অবেলা কালবেলা এবং ধূসর পাণ্ডুলিপি উভয়ই কবি জীবনানন্দ দাশের অবিস্মরণীয় ও প্রামাণিক দুটি কাব্যগ্রন্থ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জীবনানন্দ দাশ বিংশ শতাব্দীর ত্রয়ী দশকের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি, যাকে রূপসী বাংলার কবি বলা হয়। তাঁর কবিতায় বাংলার নিসর্গ, রূপসী প্রকৃতি এবং মানুষের অন্তরের নিঃসঙ্গতা ও বিষণ্নতা গভীরভাবে প্রকাশ পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাপৃথিবী ব্যাখ্যা: এটি কবি জীবনানন্দ দাশের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ, যা তাঁর আধুনিক মননশীলতার পরিচয় বহন করে। উদাহরণ ২: রূপসী বাংলা ব্যাখ্যা: এটি জীবনানন্দ দাশের মৃত্যুর পর আবিষ্কৃত এবং প্রকাশিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যেখানে বাংলার প্রকৃতি রূপায়িত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বেলা অবেলা কালবেলা ও ধূসর পাণ্ডুলিপি - এই অপশনটি সঠিক কারণ উভয় গ্রন্থই জীবনানন্দ দাশের লেখা। B) বনলতা সেন ও উত্তর ফাল্গুনী - বনলতা সেন জীবনানন্দ দাশের কাব্য হলেও উত্তর ফাল্গুনী তাঁর রচনা নয়। C) ঝরা পালক ও রাখালী - ঝরা পালক জীবনানন্দ দাশের হলেও রাখালী পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। D) ছাড়পত্র ও বনলতা সেন - বনলতা সেন জীবনানন্দ দাশের হলেও ছাড়পত্র কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থগুলো মনে রাখার জন্য তাঁর প্রধান কাব্যগুলোর নামের প্রথম অংশ যেমন ধূসর পাণ্ডুলিপি, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী, বেলা অবেলা কালবেলা একসাথে বারবার চর্চা করতে পারো। অন্য কবিদের কাব্যগ্রন্থ যেমন রাখালী বা ছাড়পত্র এর সাথে গুলিয়ে ফেলবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ, বিশেষ করে ধূসর পাণ্ডুলিপি, বনলতা সেন এবং রূপসী বাংলা থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। অন্যান্য লেখকের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখলে এই ধরনের মিশ্র অপশনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0