প্রশ্নের বর্ণনা

a কাজী নজরুল ইসলাম ও ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
b মোহিতলাল মজুমদার ও কাজী নজরুল ইসলাম
c আব্দুল করিম সাহিত্য বিশারদ ও ঈশ্বরগুপ্ত
d মীর মশাররফ হোসেন ও কায়কোবাদ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মোহিতলাল মজুমদার ও কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: বাংলা কাব্যে তদ্ভব ও তৎসম শব্দের আধিপত্যের যুগে মোহিতলাল মজুমদার ও কাজী নজরুল ইসলাম প্রথম প্রাচুর্যের সঙ্গে আরবি ও ফার্সি শব্দ ব্যবহার করেন। তাদের হাত ধরেই বাংলা কবিতায় মুসলিম ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং জীবনবোধের নানা শব্দ অত্যন্ত সফলভাবে প্রবেশ করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মোহিতলাল মজুমদার বাংলা কাব্যে ক্লাসিক বা ধ্রুপদী ধারার প্রবক্তা হলেও তার শব্দচয়ন ছিল সমৃদ্ধ। অন্যদিকে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম তার সাম্যবাদী, মুসলিম জাগরণমূলক ও বিভিন্ন গানে প্রচুর আরবি ও ফার্সি শব্দের সফল প্রয়োগ ঘটিয়েছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্রোহী কবিতা ব্যাখ্যা: কাজী নজরুলের এই বিখ্যাত কবিতায় নানা আরবি ও ফার্সি শব্দের চমৎকার ব্যবহার দেখা যায়। উদাহরণ ২: স্বপ্নমরু বা অন্যান্য কাব্য ব্যাখ্যা: মোহিতলাল মজুমদারের কবিতায় ধ্রুপদী ভাবনার পাশাপাশি শব্দের নান্দনিক ব্যবহার রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম ও ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সাহিত্যিক নন, বিশিষ্ট ভাষাবিজ্ঞানী ও গবেষক। B) মোহিতলাল মজুমদার ও কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক এবং দুজনই কাব্যে আরবি ও ফার্সি শব্দের প্রাচুর্য এনেছেন। C) আব্দুল করিম সাহিত্য বিশারদ ও ঈশ্বরগুপ্ত — আব্দুল করিম সাহিত্য বিশারদ প্রাচীন পুথি আবিষ্কারক এবং ঈশ্বরগুপ্ত সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক ও কবি। D) মীর মশাররফ হোসেন ও কায়কোবাদ — মীর মশাররফ হোসেন প্রধানত ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার এবং কায়কোবাদ মহাকাব্য রচয়িতা। ৫ মনে রাখার টিপস: নজরুলের গান ও কবিতায় যেমন আরবি ফার্সি শব্দ মেলে, তেমনি মোহিতলালের কাব্যেও এর প্রভাব রয়েছে। এই দুজন সাহিত্যিক কাব্যে প্রথম প্রাচুর্য এনেছিলেন বলে মনে রাখা সহজ। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যে মুসলিম ঐতিহ্য ও শব্দের সার্থক ব্যবহার প্রথম কারা করেছেন, তা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। সাহিত্যিকদের মূল ধারা ও তাদের বিশেষ অবদান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0