প্রশ্নের বর্ণনা

a আবদুল হাকিম
b আনিসুজ্জামান
c হুমায়ন আজাদ
d সানজীদা খাতুন
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আবদুল হাকিম ১. কেন সঠিক: - কবি আবদুল হাকিম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেননি, তিনি ছিলেন মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট পুথি সাহিত্যিক ও কবি। - প্রশ্নটিতে এমন একজন ব্যক্তিত্বকে চাওয়া হয়েছে যিনি উল্লিখিত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন না। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি আবদুল হাকিম সপ্তদশ শতকের একজন বিশিষ্ট কবি যিনি নোয়াখালীর সুধারামপুর বা সন্দীপে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। - তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ নূরনামক যা বাঙালি মুসলমান সমাজের সাহিত্য ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কবি আবদুল হাকিমের জন্মস্থান সন্দীপের সুধারামপুর এলাকায়। ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের এই কবির জন্মস্থান নিয়ে সাহিত্য ইতিহাসে এই তথ্যটি বিশেষভাবে পরিচিত। উদাহরণ ২: মধ্যযুগের কবি আবদুল হাকিমের বিখ্যাত সৃষ্টি নূরনামা। ব্যাখ্যা: এই কাব্যগ্রন্থে তিনি ইসলামের নানা দিক ও নবীজির জন্মবৃত্তান্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবদুল হাকিম — তিনি কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ছিলেন না বরং মধ্যযুগের অমর কবি ছিলেন। B) আনিসুজ্জামান — তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে দীর্ঘদিন সুনামের সঙ্গে অধ্যাপক হিসেবে শিক্ষকতা করেছেন। C) হুমায়ন আজাদ — তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে শিক্ষকতা করেছেন এবং পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন। D) সানজীদা খাতুন — তিনি বাংলাদেশের প্রখ্যাত রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতার সাথে যুক্ত ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - মধ্যযুগের কবি আবদুল হাকিমকে আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে ভাবলে ভুল হবে। - কবি ও অধ্যাপকদের কর্মক্ষেত্র আলাদা করার মাধ্যমে সহজেই এই প্রশ্ন মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মধ্যযুগের কবি এবং আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নাম গুলিয়ে দিতে অপশন সাজানো হয়। - বিখ্যাত লেখকদের কর্মক্ষেত্র বা বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের ইতিহাস ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0