প্রশ্নের বর্ণনা

a হরতাল
b পালাবদল
c উত্তীর্ণ পঞ্চাশে
d অম্বিষ্ট স্বদেশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হরতাল ১. কেন সঠিক: - 'হরতাল' হলো বাংলা সাহিত্যের প্রগতিশীল ধারার অন্যতম প্রধান কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য কর্তৃক রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। - ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থে কবির তারুণ্যের দীপ্তি, শোষণবিরোধী চেতনা এবং புர্লব বিপ্লবের বাণী অত্যন্ত জোরালোভাবে ফুটে উঠেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সুকান্ত ভট্টাচার্য ছিলেন বিশ শতকের ত্রিশের দশকের বাংলা সাহিত্যের একজন মার্কসবাদী চেতনার তরুণ কবি। - অল্প আয়ুষ্কালের জীবনে তিনি বাংলা কবিতায় এক অনন্য প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন এবং তার কাব্যগ্রন্থগুলো শোষিতের পক্ষে কথা বলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছাড়পত্র ব্যাখ্যা: এটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও পরিচিত কাব্যগ্রন্থগুলোর অন্যতম, যা তার জীবদ্দশায় প্রকাশিত হয়নি। উদাহরণ ২: পূর্বাভাস ব্যাখ্যা: এটিও সুকান্ত ভট্টাচার্যের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, যেখানে তার সমাজতান্ত্রিক আদর্শ ও বিপ্লবের স্পৃহা প্রকাশ পেয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হরতাল — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই কাব্যগ্রন্থটি কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য রচনা করেছেন। B) পালাবদল — এই কাব্যগ্রন্থটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের রচিত নয়, এটি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। C) উত্তীর্ণ পঞ্চাশে — এই কাব্যগ্রন্থটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের নয়, এটি অন্য কোনো প্রবীণ বা আধুনিক কবির রচিত সাহিত্যকর্ম। D) অম্বিষ্ট স্বদেশ — এটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের কোনো পরিচিত বা মৌলিক কাব্যগ্রন্থ বা সাহিত্যকর্মের নাম নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - সুকান্ত ভট্টাচার্যের প্রধান কাব্যগ্রন্থগুলো মনে রাখার সহজ উপায় হলো তারুণ্য ও বিপ্লব সংশ্লিষ্ট নাম যেমন হরতাল, ছাড়পত্র, পূর্বাভাস ও ঘুম নেই একসঙ্গে মনে রাখা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সুকান্ত ভট্টাচার্যের কাব্যগ্রন্থ ও জন্ম-মৃত্যু সাল থেকে প্রশ্ন আসে, তাই তার গ্রন্থগুলোর নাম ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0