প্রশ্নের বর্ণনা

a মেঘনাদবধ কাব্য
b দুর্গেশনন্দিনী
c নীলদর্পণ
d অগ্নিবীণা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) নীলদর্পণ ১. কেন সঠিক: - দীনবন্ধু মিত্র রচিত বিখ্যাত নীলদর্পণ নাটকটি ঢাকার বাংলা বাজার থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। - ১৮৬০ সালে প্রকাশিত এই নাটকে নীলকর সাহেবদের দ্বারা বাংলার কৃষকদের ওপর চালানো নির্মম নির্যাতনের বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - নাটকটির রচিয়তা নাট্যকার ও সাহিত্যিক দীনবন্ধু মিত্র যিনি ব্রিটিশ সরকারের অধীনে ডাক বিভাগে চাকরি করতেন। - এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম রাজনৈতিক ও সামাজিক নাটক হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হুতোম প্যাশার নকশা ব্যাখ্যা: কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত এই গ্রন্থটি কলকাতার বারাণসী ঘোষ স্ট্রিট থেকে প্রকাশিত হয়েছিল, যা তৎকালীন কলকাতার সমাজের জীবন্ত চিত্র তুলে ধরে। উদাহরণ ২: বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত এই উপন্যাসটি কলকাতার বঙ্গদর্শন পত্রিকা থেকে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়েছিল, যা বাংলা উপন্যাসের বিকাশে মাইলফলক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মেঘনাদবধ কাব্য — মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের এই মহাকাব্যটি ১৮৬১ সালে কলকাতার প্রেসিডেন্সি প্রেস থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। B) দুর্গেশনন্দিনী — বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এই প্রথম সার্থক উপন্যাসটি ১৮৬৫ সালে কলকাতার সংস্কৃত প্রেস থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। C) নীলদর্পণ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ঢাকার থেকে প্রথম প্রকাশিত হওয়ার শর্ত পূরণ করে। D) অগ্নিবীণা — বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের এই প্রথম কাব্যগ্রন্থটি ১৯২২ সালের ডিসেম্বরে কলকাতার আর্য পাবলিশিং হাউজ থেকে প্রকাশিত হয়েছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: ঢাকার প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে নীলকরদের অত্যাচারের কানি ঢাকার প্রেস থেকে প্রথম বই আকারে আলো দেখেছিল। নীলদর্পণ নাটকের প্রকাশস্থান ঢাকা এবং এটি প্রকাশ করেছিলেন জে কি পিয়ারসন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ, প্রথম নাটক বা প্রথম উপন্যাসের নাম এবং প্রকাশকাল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। তাই গ্রন্থসমূহের নাম, লেখকের নাম এবং প্রকাশের স্থান ও সাল ভালোভাবে মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0