প্রশ্নের বর্ণনা

a ছাড়পত্র
b কুহু ও কেকা
c কেয়ার কাঁটা
d ছায়ানট
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ছায়ানট ১. কেন সঠিক: - 'ছায়ানট' হলো বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। - এই গ্রন্থে কবির দ্রোহ, প্রেম এবং সাম্যবাদী চেহারার চমৎকার প্রকাশ ঘটেছে যা বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও সংগীতজ্ঞ ছিলেন। - 'ছায়ানট' কাব্যগ্রন্থটি ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে কবির প্রকৃতি ও মান্দোলনভিত্তিক অনেক কবিতা স্থান পেয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অগ্নিবীণা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: বিষের বাঁশি ব্যাখ্যা: এটিও কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী ও রাজনৈতিক কবিতা সংকলন যা ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সময় বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছাড়পত্র — এটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা নয়, বরং প্রগতিশীল কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। B) কুহু ও কেকা — এই কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা আধুনিক যুগের অন্যতম প্রধান কবি ও সমালোচক মোহিতলাল মজুমদার। C) কেয়ার কাঁটা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্ম নয়, বরং কথাসাহিত্যিক বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় বা বনফুলের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। D) ছায়ানট — এটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা সঠিক কাব্যগ্রন্থ। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুলের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ মনে রাখার সহজ উপায় হলো অগ্নিবীণা ও বিষের বাঁশির পাশাপাশি ছায়ানট নামটি মনে রাখা। - ছায়ানট একটি বিখ্যাত সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের নাম হলেও এটি নজরুলের কাব্যগ্রন্থ হিসেবে বিশেষ পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি ও লেখকদের কাব্যগ্রন্থের নাম প্রায়ই আলাদা করতে দেওয়া হয়। - অন্য লেখকদের কাব্যগ্রন্থের সঙ্গে নজরুলের কাব্যগ্রন্থের নাম যেন গুলিয়ে না যায়, সেজন্য প্রকাশের সাল ও ধরন ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0