প্রশ্নের বর্ণনা

a সোনারতরী
b বলাকা
c গীতালি
d গীতাঞ্জলি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গীতাঞ্জলি ১. কেন সঠিক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের জন্য ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। এই পুরস্কার অর্জনের মাধ্যমে তিনি এশীয় সাহিত্যে প্রথম নোবেল জয়ী হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: গীতাঞ্জলি মূলত ভক্তিমূলক কবিতার একটি সংকলন যা ১৯১০ সালে প্রকাশিত হয়। এর ইংরেজি অনুবাদ সং song offerings ১৯১২ সালে প্রকাশিত হলে তা বিশ্বসাহিত্যের দরবারে বিপুল সমাদর লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মানসী কাব্যগ্রন্থ ব্যাখ্যা: এটি তার সাহিত্যজীবনের প্রথম পরিণত কাব্যগ্রন্থ যেখানে রোমান্টিক চেতনার প্রকাশ ঘটেছে। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বলাকা কাব্যগ্রন্থ ব্যাখ্যা: এটি গতিশীলতার প্রতীক হিসেবে বাংলা সাহিত্যে একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সোনারতরী — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলেও এর জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার পাননি। B) বলাকা — এই কাব্যগ্রন্থটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয় যা নোবেল প্রাপ্তির পরবর্তী সময়ের রচনা। C) গীতালি — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি গান ও কবিতা সংকলন যা নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তির পরে প্রকাশিত হয়। D) গীতাঞ্জলি — এটি নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত এবং সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলি কাব্যের জন্য নোবেল প্রাপ্তি মনে রাখতে সাল ও গ্রন্থের নামের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে পড়তে পারো। গীতাঞ্জলি মানে গান ও অঞ্জলি যা বিশ্বকবিকে বিশ্বমঞ্চে পরিচিত করেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে রবীন্দ্রনাথ কত সালে নোবেল পান এবং কোন কাব্যের জন্য পান। উত্তর যথাক্রমে ১৯১৩ সাল এবং গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0