প্রশ্নের বর্ণনা

a লুইপা
b কাহ্নপা
c ভুসুকুপা
d শবরপা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কাহ্নপা ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদের সর্বাধিক পদ রচয়িতা হলেন কাহ্নপা, যার মোট পদের সংখ্যা তেরোটি। - চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন, যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা পদাবলি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাহ্নপা চর্যাপদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রধান পদকর্তা হিসেবে বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে বিশেষভাবে পরিচিত। - চর্যাপদের মোট আবিষ্কৃত পদসংখ্যা সাড়ে ছেচল্লিশটি এবং এর কবি বা পদকর্তাদের সংখ্যা চব্বিশ জন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাহ্নপার রচিত একটি বিখ্যাত পদের অংশ হলো তিউনি ছাড়িআঁ দুয়িল রে হাঁড়ি। ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের একটি বিখ্যাত পদ যা কাহ্নপার সাধনপদ্ধতি ও রচনার গভীরতা নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: ভুসুকুপা রচিত পদের সংখ্যা আটটি যা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদসংখ্যা। ব্যাখ্যা: চর্যাপদ রচয়িতাদের মধ্যে কাহ্নপার পরেই ভুসুকুপা সর্বাধিক পদের রচয়িতা হিসেবে পরিচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) লুইপা — লুইপা চর্যাপদের আদি কবি এবং তাঁর রচিত পদের সংখ্যা মাত্র দুটি। B) কাহ্নপা — সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়। C) ভুসুকুপা — ভুসুকুপা আটটি পদ রচনা করেছেন, যা কাহ্নপার পদের সংখ্যার চেয়ে কম। D) শবরপা — শবরপা মোট দুটি পদ রচনা করেছেন, যা সর্বাধিক পদ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - কাহ্নপা হলেন চর্যাপদের রাজা কারণ তাঁর সবচেয়ে বেশি পদ পাওয়া গেছে। - সংখ্যা মনে রাখতে পারো যে কাহ্নপার পদের সংখ্যা তেরোটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - চর্যাপদের আদি কবি কে এবং কার পদ সবচেয়ে বেশি, তা বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - পদসংখ্যা মুখস্থ রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0