প্রশ্নের বর্ণনা

a গোবিন্দ দাস
b কায়কোবাদ
c কাহ্নপা
d ভুসুকুপা
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভুসুকুপা ১. কেন সঠিক: ভুসুকুপা চর্যাপদের একজন প্রখ্যাত পদকর্তা যিনি তার একটি পদে নিজেকে বাঙালি বলে পরিচয় দিয়েছেন। তিনি চর্যাপদের ৪৯ নম্বর পদে বাঙালির জীবন ও সংস্কৃতির রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন এবং নিজেকে বাঙালি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন যা মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের সাধনসঙ্গীত বা পদাবলী। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে ১৯০৭ সালে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে তা প্রকাশ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আপনা মাংসে হরিণা বৈরী ব্যাখ্যা: চর্যাপদের এই বিখ্যাত পংক্তিটি ভুসুকুপার পদ থেকেই নেওয়া হয়েছে যা বাঙালি সংস্কৃতির প্রাচীন রূপ প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: টুসুক পুচ্ছই জিম মই জাণা ব্যাখ্যা: এটি চর্যাপদের অন্য একজন পদকর্তা কাহ্নপার একটি পংক্তির অংশ যা প্রাচীন বাংলার ভাষার নমুনা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গোবিন্দ দাস — ইনি বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম বিখ্যাত কবি তবে ইনি চর্যাপদের পদকর্তা নন এবং এই পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত নন। B) কায়কোবাদ — ইনি আধুনিক যুগের কবি যিনি মহাকাব্য মহাশ্মশান রচনা করেছেন কিন্তু চর্যাপদের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। C) কাহ্নপা — চর্যাপদের সর্বাধিক পদের রচয়িতা হলেও ইনি নিজেকে বাঙালি বলে পরিচয় দেননি বরং ইনি ছিলেন একজন সিদ্ধাচার্য। D) ভুসুকুপা — ইনি চর্যাপদের পদকর্তা এবং নিজেকে বাঙালি বলে স্পষ্ট পরিচয় দিয়েছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: চর্যাপদের কবিদের মধ্যে একমাত্র ভুসুকুপাই নিজেকে বাঙালি বলে উল্লেখ করেছেন। বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের কবি মনে রাখতে ভুসুকুপার নাম এবং বাঙালি পরিচয় একসঙ্গে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চর্যাপদের পদকর্তা এবং তাদের ভাষার বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। চর্যাপদের মোট পদসংখ্যা এবং আবিষ্কারক সম্পর্কেও সম্যক ধারণা রাখবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0