প্রশ্নের বর্ণনা

a কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
b ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
c কামিনী রায়
d যতীন্দ্রমোহন বাগচী
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার ১. কেন সঠিক: - উদ্ধৃত চরণটি কবি কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদারের বিখ্যাত 'সদভাবশত শতক' কাব্যের একটি বহুল পরিচিত পঙ্‌ক্তি। - এখানে জীবনে নানা বাধা-বিপত্তি ও দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়া মানুষকে সান্ত্বনা ও অনুপ্রেরণা দেওয়ার জন্য এই প্রশ্নটি করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত নীতিবাদী কবি ও সাংবাদিক। - তার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও অমর সৃষ্টি হলো 'সদভাবশত শতক' কাব্যগ্রন্থ, যা নীতিমূলক কবিতার জন্য বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: যেতে হবে, তবু আজ একে একে ফিরে ডাকো কেন? ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের আরেকটি বিখ্যাত বিষণ্ন ও দার্শনিক ভাবনার কাব্যিক পঙ্‌ক্তি। উদাহরণ ২: মায়ার বাঁধন কেটে বলো পথিক কোথায় চলো? ব্যাখ্যা: মানুষের জীবনযাত্রা ও গন্তব্যের অনিশ্চয়তা বোঝাতে এই ধরনের পঙ্‌ক্তি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার — এই অপশনটি সঠিক কারণ আলোচ্য পঙ্‌ক্তিটি তারই রচনা। B) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — তিনি যুগসন্ধিকালের কবি ও সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক হলেও এই পঙ্‌ক্তিটি তার নয়। C) কামিনী রায় — তিনি ব্রিটিশ ভারতের প্রথম প্রখ্যাত নারীবাদী কবি হলেও এই উদ্ধৃতিটি তার কোনো কবিতার অংশ নয়। D) যতীন্দ্রমোহন বাগচী — তিনি পল্লীকবি ও রোমান্টিক ধারার কবি হলেও এই বিখ্যাত চরণটি তার লেখা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - পান্থ বা পথিকের ক্লান্তি দূর করার নীতিবাক্য শুনলেই কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদারের 'সদভাবশত শতক' কাব্যগ্রন্থের কথা স্মরণ করবে। - নীতিমূলক ও উপদেশমূলক কবিতা বললে বাংলা সাহিত্যে কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদারের নাম সবার আগে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি কার লেখা বা কোন গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে, তা প্রায়ই আসে। - বিখ্যাত কবিদের অমর পঙ্‌ক্তিগুলো আলাদা করে নোট করে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে উত্তর করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0