প্রশ্নের বর্ণনা

a প্রমথ চৌধুরী
b ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
c প্যারীচাঁদ মিত্র
d দীনবন্ধু মিত্র
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১. কেন সঠিক: সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত। ১৮৩১ সালের ২৮ জানুয়ারি সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ছিলেন উনিশ শতকের প্রথমার্ধের বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক। তিনি সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার মাধ্যমে অনেক তরুণ প্রতিভাবান লেখককে সাহিত্যজগতে পরিচিত করে তুলেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৩১ সালে। ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাংবাদিকতার ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও দীনবন্ধু মিত্র এই পত্রিকার মাধ্যমেই লেখালেখি শুরু করেন। ব্যাখ্যা: সংবাদ প্রভাকর নতুন লেখকদের তৈরি করার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রমথ চৌধুরী — তিনি সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এবং চলিত রীতির প্রবক্তা। B) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন। C) প্যারীচাঁদ মিত্র — তিনি আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের রচয়িতা এবং টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। D) দীনবন্ধু মিত্র — তিনি বিখ্যাত নীলদর্পণ নাটকের রচয়িতা এবং নাট্যকার হিসেবে পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত মানেই সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা। এভাবে মনে রাখতে পারো যে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত প্রভা বা আলো ছড়ানোর জন্য সংবাদ প্রভাকর প্রকাশ করেছিলেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাংবাদিকতার ইতিহাসে সংবাদ প্রভাকর একটি অপরিহার্য নাম। পরীক্ষার জন্য পত্রিকার নাম এবং সম্পাদকের নাম প্রায়ই আলাদাভাবে প্রশ্ন আকারে আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0