প্রশ্নের বর্ণনা

a কাজেম আল কোরেশী
b আবু নাসের কায়কোবাদ
c কায়কোবাদ ইসলাম
d আবুল হোসেন কায়কোবাদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাজেম আল কোরেশী ১. কেন সঠিক: মহাকবি কায়কোবাদের প্রকৃত বা দাপ্তরিক নাম হলো কাজেম আল কোরেশী। তিনি মূলত ছদ্মনাম বা সাহিত্যিক নাম হিসেবে কায়কোবাদ নামটি ব্যবহার করতেন এবং এই নামেই বাংলা সাহিত্যে পরিচিতি লাভ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কায়কোবাদ ১৯ শতকের শেষ ও ২০ শতকের শুরুর একজন প্রখ্যাত মুসলিম কবি। তার বিখ্যাত মহাকাব্য মহাশ্মশান বাংলার মুসলিম কবিদের রচিত প্রথম সার্থক মহাকাব্য হিসেবে বিবেচিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রকৃত নাম বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় হলেও তিনি সাহিত্যক্ষেত্রে কমলাকান্ত ভট্টাচার্য ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। ব্যাখ্যা: অনেক সাহিত্যিক মূল নামের পাশাপাশি ছদ্মনাম বা পদবি ব্যবহার করে সাহিত্য রচনা করতেন। উদাহরণ ২: প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল। ব্যাখ্যা: তিনি এই ছদ্মনামে সবুজ পত্রিকায় বীরবলের হালখাতা নামে প্রবন্ধ লিখেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজেম আল কোরেশী — এটি কায়কোবাদের আসল ও জন্মসূত্রে প্রাপ্ত নাম। B) আবু নাসের কায়কোবাদ — এটি কায়কোবাদের প্রকৃত নাম নয়, বরং একটি ভুল বা কাল্পনিক নাম। C) কায়কোবাদ ইসলাম — এখানে ইসলাম পদবিটি যুক্ত করা হয়েছে যা তার পারিবারিক নামের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। D) আবুল হোসেন কায়কোবাদ — এটি কবি কায়কোবাদের প্রকৃত নাম নয়, এটি সম্পূর্ণ একটি কাল্পনিক নাম। ৫. মনে রাখার টিপস: কাজী নজরুলের ডাকনাম দুখু মিয়া এবং কায়কোবাদের আসল নাম কাজেম আল কোরেশী। নাম দুটি মনে রাখতে কোরেশী পদবিটি মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মহাশ্মশান মহাকাব্য কার লেখা এবং এর রচয়িতার প্রকৃত নাম কী, বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে। সাহিত্যিকদের প্রকৃত নাম ও ছদ্মনাম আলাদা করে পড়ার অভ্যাস করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0