প্রশ্নের বর্ণনা

a স্পার্টাকাস বিষয়ক জটিলতা
b জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন
c চরকাঁকড়ার ডকুমেন্টারী
d নূরুলদীনের সারাজীবন
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) নূরুলদীনের সারাজীবন ১. কেন সঠিক: - নূরুলদীনের সারাজীবন নাটকটিকে কাব্যধর্মী নাটক বলা হয় কারণ এর ভাষা অত্যন্ত কাব্যময় এবং এতে নাটকের পাশাপাশি কবিতার গভীর সুর ও আবেদন রয়েছে। - নাটকের সংলাপগুলো সাধারণ গদ্যের সীমানা ছাড়িয়ে পঙক্তিমালা বা কবিতার রূপ ধারণ করেছে, যা এটিকে কাব্যনাট্যের মর্যাদা দিয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সৈয়দ শামসুল হক বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক, কবি ও নাট্যকার যিনি এই কাব্যনাট্যটি রচনা করেছেন। - ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে এবং বাংলার মানুষের মুক্তির সংগ্রামকে তুলে ধরতে তিনি ঐতিহাসিক নূরুলদীনের চরিত্রকে বেছে নিয়েছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ব্যাখ্যা: এটিও সৈয়দ শামসুল হকের আরেকটি বিখ্যাত কাব্যনাট্য, যেখানে কাব্যিক ভাষায় মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহতা ও গ্রামীণ জনপদের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদাহরণ ২: নরকের লাল গোলাপ ব্যাখ্যা: এটি আলাউদ্দিন আল আজাদের একটি বিখ্যাত নাটক, যা রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে রচিত হলেও এটি কাব্যধর্মী নাটক নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্পার্টাকাস বিষয়ক জটিলতা — এটি মমতাজউদদীন আহমদ রচিত একটি রাজনৈতিক নাটক, যা কাব্যধর্মী নাটক হিসেবে পরিচিত নয়। B) জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন — এটি সেলিনা হোসেন রচিত উপন্যাস নয় বরং শিল্পকলা বা অন্য ধারার কাজ, যা কাব্যধর্মী নাটক হিসেবে বিবেচিত হয় না। C) চরকাঁকড়ার ডকুমেন্টারী — এটি একটি নাটক বা সাহিত্যকর্ম হলেও এটি কাব্যধর্মী নাটকের ক্যাটাগরিতে পড়ে না। D) নূরুলদীনের সারাজীবন — এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি বহুল পরিচিত কাব্যধর্মী নাটক। ৫ মনে রাখার টিপস: - সৈয়দ শামসুল হকের নাম দেখলে এবং অপশনে কাব্যনাট্য বা কাব্যধর্মী নাটক থাকলে নূরুলদীনের সারাজীবন উত্তর হিসেবে মনে রাখবে। - কাব্যধর্মী নাটকে কবিতার ছন্দ ও সুরের আবহ থাকে, যা এই নাটকে স্পষ্টভাবে বিদ্যমান। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সৈয়দ শামসুল হকের লেখা কাব্যনাট্যগুলোর নাম বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। - কাব্যধর্মী নাটক এবং সাধারণ গদ্য নাটকের পার্থক্য বুঝতে নাটকের ভাষার গঠন ও শৈলী লক্ষ্য করতে হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0