প্রশ্নের বর্ণনা

a রাজবন্দীর জবানবন্দী
b ব্যথার দান
c অগ্নিবীণা
d নবযুগ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ব্যথার দান ১. কেন সঠিক: - কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্প সংকলন হলো ব্যথার দান। - এই সংকলনটি বাংলা ১৩৬৯ সালের (ইংরেজি ১৯২২ সাল) ফেব্রুয়ারি মাসে প্রথম প্রকাশিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান পুরুষ, যিনি যুগান্তরকারী ভূমিকা পালন করেছিলেন। - ব্যথার দান গ্রন্থে মোট সাতটি ছোটগল্প রয়েছে এবং এর মাধ্যমে নজরুলের কথাসাহিত্যিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাউণ্ডেলের আত্মজীবনী ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস, যা একই বছর প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: মুক্তি ব্যাখ্যা: এটি ব্যথার দান গল্প সংকলনের অন্তর্ভুক্ত একটি বিখ্যাত ছোটগল্প। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজবন্দীর জবানবন্দী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ যা ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়, প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বা গল্পগ্রন্থ নয়। C) অগ্নিবীণা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে প্রকাশিত হয়েছিল কিন্তু প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ নয়। D) নবযুগ — এটি কাজী নজরুল ইসলাম ও শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক কর্তৃক যৌথভাবে সম্পাদিত একটি সন্ধানী দৈনিক পত্রিকা, কোনো গ্রন্থ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্য হলো অগ্নিবীণা, প্রথম গল্পগ্রন্থ হলো ব্যথার দান এবং প্রথম উপন্যাস হলো বাউণ্ডেলের আত্মজীবনী। - প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ বা গল্পগ্রন্থ মনে রাখতে ব্যথার দান নামটি মনে রাখতে হবে যা ১৯২২ সালের গোড়ার দিকে প্রকাশিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নজরুলের প্রথম কাব্য, প্রথম গল্পগ্রন্থ ও প্রথম উপন্যাস সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। - রচনাবলির প্রকাশের সাল ও ধারা ভালোভাবে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0