প্রশ্নের বর্ণনা

a কালিদাস রায়
b জীবনানন্দ দাশ
c সুকান্ত ভট্টাচার্য
d বন্দে আলী মিয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জীবনানন্দ দাশ ১. কেন সঠিক: - বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম এবং আধুনিক বাংলা কবিতার রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশ উভয়েই ১৮৯৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন। - কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম ১৮৯৯ সালের ২৪ মে এবং জীবনানন্দ দাশের জন্ম ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের জাতীয় কবি, যিনি তার দ্রোহ ও প্রেমের কবিতার জন্য বিখ্যাত। - জীবনানন্দ দাশ বাংলা কাব্যে আধুনিকতার প্রবক্তা এবং তার কবিতায় প্রকৃতির রূপ ও বিষণ্ণতা গভীরভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম ১৯শ শতকের শেষভাগে ১৮৯৯ সালে হলেও তিনি বাংলা সাহিত্যকে বিশ শতকে সমৃদ্ধ করেছেন। ব্যাখ্যা: সালভিত্তিক তুলনার মাধ্যমে সাহিত্যিকদের সমসাময়িককাল মনে রাখা সহজ হয়। উদাহরণ ২: জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালে জন্মগ্রহণ করে বিশ শতকের ত্রিশের দশকের আধুনিক কবিতার ধারা তৈরি করেন। ব্যাখ্যা: একই সালে জন্ম নেওয়া দুই কবির সাহিত্যিক অবদান সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারার ছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কালিদাস রায় — কালিদাস রায় ১৮৮৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন, যা ১৮৯৯ সাল নয়। B) জীবনানন্দ দাশ — এটি সঠিক উত্তর। C) সুকান্ত ভট্টাচার্য — সুকান্ত ভট্টাচার্য ১৯২৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন, তাই এটি ভুল। D) বন্দে আলী মিয়া — বন্দে আলী মিয়া ১৯০৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন, যা সঠিক জন্মসাল নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিদ্রোহী কবি নজরুল এবং রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ সমসাময়িক কবি এবং দুজনই ১৮৯৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন। - এভাবে জোড়া মনে রাখলে পরীক্ষার হলে জন্মসাল মনে রাখা সহজ হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি ও লেখকদের জন্মসাল ও মৃত্যুসাল প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে। - বিশেষ করে বিখ্যাত সাহিত্যিকদের জন্মসাল একই হলে তা তুলনামূলক প্রশ্ন হিসেবে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0