প্রশ্নের বর্ণনা

a বিদ্রোহী
b আনন্দময়ীর আগমনে
c সৃষ্টি সুখের উল্লাসে
d মুক্তি
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আনন্দময়ীর আগমনে ১. কেন সঠিক: - কাজী নজরুল ইসলাম ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষুরধার লেখার জন্য 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতাটি রচনা করেন। - এই কবিতার জন্য ব্রিটিশ সরকার তাঁর বিরুদ্ধে রাজদ্রোহের মামলা দায়ের করে এবং তাঁকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক ও বিদ্রোহী কবিতা যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত 'ধূমকেতু' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। - ব্রিটিশ রাজের শোষণ ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে জাগ্রত করার উদ্দেশ্যে এই কবিতাটি রচিত হয়েছিল এবং এটি তাঁর প্রথম কারাদণ্ডের কারণ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষের বাঁশি ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি নিষিদ্ধ ঘোষিত কাব্যগ্রন্থ যার জন্য তাঁকে কারাবরণ করতে হয়েছিল। উদাহরণ ২: প্রলয়োল্লাস ব্যাখ্যা: এটি তাঁর আরেকটি বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতা যা অগ্নিবীণা কাব্যের অন্তর্ভুক্ত এবং ব্রিটিশ বিরোধী চেতনায় সমৃদ্ধ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিদ্রোহী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের অত্যন্ত জনপ্রিয় কবিতা হলেও সরাসরি এই কবিতার জন্য তাঁর কারাবাস হয়নি। C) সৃষ্টি সুখের উল্লাসে — এটি তাঁর একটি বিখ্যাত সৃষ্টিশীল মানসিকতার কবিতা যা ভিন্ন প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে এবং কারাবাসের কারণ নয়। D) মুক্তি — এটি তাঁর একটি সাধারণ কবিতা যার বিষয়বস্তু কারাবাসের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নজরুলের কারাবাসের সঙ্গে আনন্দময়ী মায়ের পূজা ও ব্রিটিশ বিরোধী ক্ষোভের সম্পর্ক মনে রাখবে। - ধূমকেতু পত্রিকা এবং আনন্দময়ীর আগমনে কবিতা একসঙ্গে মিলিয়ে পড়লে ভুল হবে না। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুলের প্রথম নিষিদ্ধ গ্রন্থ বা কবিতার নাম প্রায়ই আসে। - ঔপনিবেশিক আমলে বাজেটে বা প্রেসে জব্দ হওয়া সাহিত্যকর্মগুলোর তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0