প্রশ্নের বর্ণনা

a অগ্নিবীণা
b সঞ্চিতা
c বিষের বাঁশী
d সঞ্চয়িতা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অগ্নিবীণা ১. কেন সঠিক: - কাজী নজরুল ইসলামের অমর সৃষ্টি 'বিদ্রোহী' কবিতাটি তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা'র অন্তর্ভুক্ত। - ১৯২১ সালের ডিসেম্বরে রচিত এই কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছিল এবং কবিকে 'বিদ্রোহী কবি' হিসেবে পরিচিতি এনে দিয়েছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি ১৯২২ সালের অক্টোবর মাসে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা কবিতার ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী মাইলফলক। - এই কাব্যে মোট বারোটি কবিতা রয়েছে যার সূচনা হয়েছে 'প্রলয়োল্লাস' দিয়ে এবং দ্বিতীয় কবিতাটি হলো 'বিদ্রোহী'। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: 'প্রলয়োল্লাস' কবিতা ব্যাখ্যা: এটিও 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা এবং এর মূল সুর ছিল ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন ও নবজাগরণ। উদাহরণ ২: 'কামাল পাশা' কবিতা ব্যাখ্যা: এটিও 'অগ্নিবীণা' কাব্যের অন্তর্ভুক্ত একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও বিদ্রোহী চেতনার কবিতা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অগ্নিবীণা — এটি সঠিক উত্তর কারণ 'বিদ্রোহী' কবিতাটি এই কাব্যগ্রন্থেরই অন্তর্গত। B) সঞ্চিতা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার একটি সংকলন গ্রন্থ যা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করা হয়েছিল, তবে 'বিদ্রোহী' কবিতাটি এতে প্রথম প্রকাশিত হয়নি। C) বিষের বাঁশী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত বিদ্রোহী ও সাম্যবাদী ভাবধারার কাব্যগ্রন্থ, যা প্রকাশিত হয় ১৯২৪ সালে। D) সঞ্চয়িতা — এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার একটি বিখ্যাত সংকলন গ্রন্থ, যার সঙ্গে কাজী নজরুল ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিদ্রোহী কবির প্রথম কাব্য হলো অগ্নিবীণা এবং তার প্রথম ও প্রধান বিদ্রোহী কবিতাটি এই গ্রন্থের দ্বিতীয় কবিতা। - অগ্নিবীণা মানে আগুনের বীণা, আর বিদ্রোহী কবিতাও ছিল আগুনঝরা এক সৃষ্টি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা প্রলয়োল্লাস এবং দ্বিতীয় কবিতা বিদ্রোহী, যা প্রায়ই বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - বাংলা সাহিত্যে প্রথম প্রকাশিত মুসলিম কবির কাব্যগ্রন্থ এবং এর প্রকাশকাল (১৯২২) মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0