প্রশ্নের বর্ণনা

a ক্ষুধিত পাষাণ
b মৃত্যুক্ষুধা
c জননী
d আগুন পাখি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মৃত্যুক্ষুধা ১. কেন সঠিক: মৃত্যুক্ষুধা হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা ১৯৩০ সালে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসে কলকাতার দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের জীবন সংগ্রাম, সামাজিক বৈষম্য এবং তাদের ক্ষুধার বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলাম মূলত বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি সফলভাবে উপন্যাস, ছোটগল্প ও নাটক রচনা করেছেন। তার রচিত উপন্যাস মূলত তিনটি যথা বাঁধন হারা, মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাঁধন হারা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রথম পত্রোপন্যাস, যা ১৯২৭ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: কুহেলিকা ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি রাজনৈতিক উপন্যাস, যা ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ক্ষুধিত পাষাণ — এটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা নয়, এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প। B) মৃত্যুক্ষুধা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি উপন্যাস এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর। C) জননী — এটি কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস নয়, এটি কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমানের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। ডি) আগুন পাখি — এটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা নয়, এটি হাসান আজিজুল হকের একটি প্রশংসিত উপন্যাস। ৫ মনে রাখার টিপস: কাজী নজরুল ইসলামের প্রধান তিনটি উপন্যাস মনে রাখার একটি সহজ কৌশল হলো বা-মৃ-কু, অর্থাৎ বাঁধন হারা, মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা। এই তিনটি নাম মনে রাখলে নজরুল রচিত উপন্যাস সংক্রান্ত প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা যাবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাসের সংখ্যা এবং নাম প্রায়ই আসে। বিশেষ করে তার প্রথম উপন্যাস বাঁধন হারা এবং রাজনৈতিক উপন্যাস কুহেলিকা সম্পর্কে বারবার প্রশ্ন করা হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0