প্রশ্নের বর্ণনা

a ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর
b ঈশ্বর গুপ্ত
c মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
d অক্ষয় কুমার বড়াল
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ঈশ্বর গুপ্ত ১. কেন সঠিক: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে বাংলা সাহিত্যের যুগসন্ধিক্ষণের কবি বলা হয় কারণ তিনি প্রাচীন যুগের ধারার শেষ প্রতিনিধি এবং আধুনিক যুগের ধারার সূচনা করেছিলেন। তাঁর কাব্যে মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের মতো প্রথাগত রীতির অবসান ঘটে এবং আধুনিক যুগের সমাজসচেতনতা ও দেশপ্রেমের প্রথম প্রকাশ ঘটে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ছিলেন ঊনবিংশ শতকের একজন বিশিষ্ট কবি, সাহিত্যিক ও সাংবাদিক যিনি ১৮১২ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে বাংলা গদ্য ও সাংবাদিকতার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন এবং কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে খাঁটি বাঙালির কবি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা। ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় ১৮৩১ সালে প্রকাশিত এই পত্রিকাটি বাংলা সাংবাদিকতা ও সাহিত্যচর্চায় যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেছিল। উদাহরণ ২: কবিজীবনী। ব্যাখ্যা: প্রাচীন ও মধ্যযুগের কবিদের জীবন ও সাহিত্যকর্ম উদ্ধারের জন্য তিনি নিভৃত বাংলাজুড়ে গবেষণা করে প্রথম কবিজীবনী সংকলন করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর — তিনি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারার সর্বশেষ এবং অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি, যাঁকে রায়গুণাকর উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল। B) ঈশ্বর গুপ্ত — প্রদত্ত সঠিক উত্তর। C) মুকুন্দরাম চক্রবর্তী — তিনি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের ধারার একজন প্রখ্যাত কবি যিনি কবিকঙ্কণ উপাধি লাভ করেছিলেন। D) অক্ষয় কুমার বড়াল — তিনি আধুনিক যুগের রবীন্দ্রপূর্ব আমলের একজন বিশিষ্ট গীতিকবি যিনি মূলত প্রেমের কবিতা ও বিষণ্নতার সুরের জন্য পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: যুগসন্ধিক্ষণ মানে দুটি যুগের সংযোগস্থল আর ঈশ্বর গুপ্ত প্রাচীন ও আধুনিক যুগের মাঝে সেতুবন্ধন তৈরি করেছিলেন। এই নাম মনে রাখতে মাথায় রাখবে যে তিনি মধ্যযুগের শেষ আর আধুনিক যুগের শুরুর মধ্যবর্তী সাঁতারু ছিলেন। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যুগসন্ধিক্ষণের কবি হিসেবে প্রায়ই ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের নাম জানতে চাওয়া হয়। একইভাবে বাংলা উপন্যাসের জনক বা আধুনিক কবিতার জনক সম্পর্কিত প্রশ্নগুলো ভালোভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0