প্রশ্নের বর্ণনা

a আঠারো শততের শেষার্ধে ও উনিশ শতকের প্রথমার্ধে
b ষোড়শ শততের শেষার্ধে ও সপ্তদশ শতকের প্রথমার্ধে
c সপ্তদশ শততের শেষার্ধে ও আঠারো শতকের প্রথমার্ধে
d উনিশ শততের শেষার্ধে ও বিংশ শতকের প্রথমার্ধে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) আঠারো শতকের শেষার্ধে ও উনিশ শতকের প্রথমার্ধে কেন সঠিক: - অষ্টাদশ শতকের শেষভাগে বাংলায় গ্রামীণ সংস্কৃতির পরিবর্তনের ফলে কবিগানের উদ্ভব ঘটে। - এই সময় থেকেই সমাজে কবিওয়ালা এবং শায়েরদের গান ও লড়াইয়ের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পায়। ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের সন্ধিক্ষণে লোকসাহিত্যের একটি বিশেষ ধারা হিসেবে কবিগানের বিকাশ ঘটে। - কবিওয়ালা বলতে মূলত যারা ছন্দে ছন্দে গান ও কবিতা রচনা করে পরিবেশন করতেন তাদের বোঝায় এবং শায়েরগণ বিশেষ করে মুসলিম লোকসাহিত্যে এই ধারার সমকক্ষ ছিলেন। - গুমানু মিঞা, ভোলা ময়রা এবং অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি এই ধারার বিখ্যাত কবিওয়ালা ও শায়ের হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: - B) ষোড়শ শততের শেষার্ধে ও সপ্তদশ শতকের প্রথমার্ধে — এই সময়ে বাংলা সাহিত্যে মঙ্গলকাব্যের যুগ চলছিল কিন্তু কবিওয়ালার উদ্ভব হয়নি। - C) সপ্তদশ শততের শেষার্ধে ও আঠারো শতকের প্রথমার্ধে — এই কালপর্বটি বৈষ্ণব পদাবলী ও শক্তিগীতির চর্চার জন্য পরিচিত হলেও কবিওয়ালার সময়কাল এটি নয়। - D) উনিশ শততের শেষার্ধে ও বিংশ শতকের প্রথমার্ধে — এই সময়ে কবিগানের স্বর্ণযুগ শেষ হয়ে আধুনিক বাংলা সাহিত্য ও রবীন্দ্রযুগের সূচনা ঘটেছিল। মনে রাখার টিপস: - কবিওয়ালা ও শায়েরদের যুগ হলো আঠারো শতকের শেষার্ধ থেকে উনিশ শতকের প্রথমার্ধ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0