প্রশ্নের বর্ণনা

a আঠারো
b উনিশ
c বিশ
d একুশ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) একুশ ১. কেন সঠিক: কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য মাত্র একুশ বছর বয়সে ১৯৪৭ সালের ১৩ই মে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি বাংলা সাহিত্যে কিশোর কবি হিসেবে পরিচিত এবং স্বল্পকালীন জীবনেই তিনি অনন্য প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে গেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সুকান্ত ভট্টাচার্য ছিলেন বাংলা সাহিত্যের মার্কসবাদী ধারার অন্যতম প্রগতিশীল কবি। তার কবিতায় শোষণহীন সমাজের স্বপ্ন এবং দ্রোহ ও প্রতিবাদের সুর জোরালোভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ছাড়পত্র ব্যাখ্যা: এটি সুকান্ত ভট্টাচার্যের বিখ্যাত একটি কাব্যগ্রন্থ, যা তার মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: পূর্বাভাস ব্যাখ্যা: এটিও সুকান্ত ভট্টাচার্যের একটি অন্যতম আলোচিত কাব্যগ্রন্থ যা তার প্রগতিশীল চেতনা প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আঠারো — কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য আঠারো বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেননি কারণ তার জীবনকাল এর চেয়ে দীর্ঘ ছিল। B) উনিশ — সুকান্ত ভট্টাচার্যের মৃত্যুর বয়স উনিশ বছর ছিল না কারণ তিনি ১৯২৬ সালে জন্ম নিয়ে ১৯৪৭ সালে মারা যান। C) বিশ — বিশ বছর বয়সে সুকান্ত ভট্টাচার্যের জীবনাবসান হয়নি কারণ তার মোট বয়স হিসাব করলে একুশ বছর হয়। D) একুশ — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি ১৯২৬ সালের ১৫ই আগস্ট জন্মগ্রহণ করে ১৯৪৭ সালের ১৩ই মে মৃত্যুবরণ করেন এবং তার বয়স হয়েছিল একুশ বছর। ৫ মনে রাখার টিপস: সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্মসাল ১৯২৬ এবং মৃত্যুসাল ১৯৪৭, এই দুটি সাল বিয়োগ করলে তার বয়স একুশ বছর বের হয়। এভাবে জন্ম ও মৃত্যুর সাল মনে রেখে বয়স বের করা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবি ও লেখকদের জন্ম, মৃত্যু এবং তাদের বয়স সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। তাই বিখ্যাত লেখকদের জীবনকাল ও প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার সাল ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0