প্রশ্নের বর্ণনা

a ১৬ বছর
b ২০ বছর
c ২২ বছর
d ২৫ বছর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৫ বছর ১. কেন সঠিক: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় যখন তার কালজয়ী উপন্যাস 'দেবদাস' রচনা করেন, তখন তার বয়স ছিল প্রায় পঁচিশ বছর। সাহিত্যিক ইতিহাস ও জীবনীকারদের মতে, ১৮৯৬ থেকে ১৯০০ সালের মধ্যে ভাগলপুরে অবস্থানকালে তিনি এই উপন্যাসটি রচনা করেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় ও প্রখ্যাত কথাস্হিত্যিক, যিনি সমাজের নিচুতলার মানুষের জীবন ফুটিয়ে তুলেছেন। 'দেবদাস' তার একটি অমর ট্র্যাজেডিধর্মী উপন্যাস, যা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৭ সালে এবং এটি বাঙালি পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'বড়দিদি' উপন্যাস ব্যাখ্যা: এটি তার প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস, যা ১৯০৭ সালে 'ভারতী' পত্রিকায় প্রকাশিত হয় এবং তাকে কথাস্হিত্যিক হিসেবে খ্যাতি এনে দেয়। উদাহরণ ২: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'শ্রীকান্ত' উপন্যাস ব্যাখ্যা: এটি একটি আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস চার খণ্ডে সমাপ্ত, যা তার সাহিত্যকীর্তির অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৬ বছর — এই বয়সে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লেখালেখি শুরু করলেও 'দেবদাস' রচনা করেননি। B) ২০ বছর — এই বয়সে তিনি তার সাহিত্যজীবনের প্রাথমিক পর্যায়ে ছিলেন, কিন্তু 'দেবদাস' তখন রচিত হয়নি। C) ২২ বছর — এই বয়সসীমা 'দেবদাস' রচনার সনতারিখের সঙ্গে ঐতিহাসিক তথ্যানুযায়ী মেলে না। D) ২৫ বছর — এই বয়সটি 'দেবদাস' উপন্যাসের রচনার কাল হিসেবে গবেষকদের দ্বারা সর্বজনস্বীকৃত। ৫ মনে রাখার টিপস: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ২৫ বছর বয়সে তারুণ্যের আবেগ দিয়ে অমর প্রেমের ট্র্যাজেডি 'দেবদাস' রচনা করেছিলেন। বয়স ২৫ এবং 'দেবদাস' উপন্যাসের আবেগঘন প্রকাশ একসঙ্গে মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: 'দেবদাস' উপন্যাসের রচয়িতা শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং এটি ১৯১৭ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রখ্যাত উপন্যাসের রচয়িতা ও রচনার সাল সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0