প্রশ্নের বর্ণনা

a 1860
b 1861
c 1865
d 1867
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৮৬৫ ১. কেন সঠিক: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম সার্থক বাংলা উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’ ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়। বাংলা উপন্যাসের ইতিহাসে এই গ্রন্থটি একটি যুগান্তকারী মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ‘দুর্গেশনন্দিনী’ উপন্যাসের রচয়িতা হলেন বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। এই ঐতিহাসিক রোমান্সধর্মী উপন্যাসটি প্রকাশের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে আধুনিক উপন্যাসের সফল যাত্রা শুরু হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কপালকুণ্ডলা ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত দ্বিতীয় উপন্যাস যা ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত হয়। উদাহরণ ২: বিষবৃক্ষ ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস যা ১৮৭৩ সালে প্রকাশিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮৬০ — এই সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কোনো উপন্যাস প্রকাশিত হয়নি বরং এটি তাঁর উপন্যাস রচনার আগের সময়কাল। B) ১৮৬১ — এই সালে ‘দুর্গেশনন্দিনী’ প্রকাশিত হয়নি তবে এটি নীলদর্পণ নাটক প্রকাশের বছর। C) ১৮৬৫ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই সালেই ‘দুর্গেশনন্দিনী’ উপন্যাস প্রথম প্রকাশিত হয়। D) ১৮৬৭ — এই সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কোনো উপন্যাস প্রকাশিত হয়নি বরং এটি তাঁর প্রথম উপন্যাসের পরবর্তী বছর। ৫ মনে রাখার টিপস: বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’ প্রকাশের সাল মনে রাখার জন্য মনে রাখতে হবে এটি ১৮৬৫ সালের ঐতিহাসিক ঘটনা। বঙ্কিম যুগের সূচনা এই সাল থেকেই ধরা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস এবং এর প্রকাশকাল খুব বেশি আসে। একইসঙ্গে লেখকের অন্যান্য উপন্যাসের নাম এবং সালগুলো ভালোভাবে দেখে যাওয়া উচিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0