প্রশ্নের বর্ণনা

a কাজী নজরুল ইসলাম
b জীবনান্দন দাশ
c সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
d বুদ্ধদেব বসু
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ১. কেন সঠিক: সুধীন্দ্রনাথ দত্ত আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রমথেশ ও ত্রিশের দশকের বুদ্ধিজীবী কবি হিসেবে পরিচিত। তিনি মূলত কবি ও প্রাবন্ধিক হিসেবে খ্যাতি অর্জন করলেও কোনো উপন্যাস রচনা করেননি। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সুধীন্দ্রনাথ দত্ত বাংলা কাব্যে বুদ্ধিবাদী ও ধ্রুপদী ধারার প্রবক্তা। তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে অর্কেস্ট্রা, পৃথিবী ও পটভূমি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুধীন্দ্রনাথ দত্তের কাব্যগ্রন্থ অর্কেস্ট্রা। ব্যাখ্যা: এটি তার কবিপ্রতিভার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হলেও কোনো গদ্য সাহিত্য বা উপন্যাস নয়। উদাহরণ ২: সুধীন্দ্রনাথ দত্তের প্রবন্ধ গ্রন্থ কুলায় ও কালপুরুষ। ব্যাখ্যা: এটি তার সাহিত্যিক ও সামাজিক চিন্তার প্রকাশ, যা উপন্যাস ধারার অন্তর্ভুক্ত নয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা নামে দুটি উপন্যাস লিখেছেন। B) জীবনানন্দ দাশ — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি মাল্যবান ও সুতীর্থ নামে উপন্যাস রচনা করেছেন। C) সুধীন্দ্রনাথ দত্ত — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি জীবদ্দশায় কোনো উপন্যাস লেখেননি। D) বুদ্ধদেব বসু — এই অপশনটি ভুল কারণ তিনি কালো হাওয়া ও তলাপোকা সহ বেশ কয়েকটি উপন্যাস লিখেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: ত্রিশের দশকের বুদ্ধিজীবী কবিদের মধ্যে সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ছিলেন একমাত্র যিনি শুধু কবিতা ও প্রবন্ধ লিখেছেন। তার সাহিত্যিক পরিধি উপন্যাস পর্যন্ত বিস্তৃত হয়নি এটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই ত্রিশের দশকের কবিদের উপন্যাস বা গদ্যকর্ম সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। কাজী নজরুল ইসলাম ও জীবনানন্দ দাশের উপন্যাসগুলোর নাম আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0