প্রশ্নের বর্ণনা

a ড. দীনেশ চন্দ্র সেন
b ড. সুনীতিকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়
c চন্দ্রকুমার দে
d ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চন্দ্রকুমার দে ১. কেন সঠিক: হাওড় অঞ্চলের সাধারণ মানুষের মুখে মুখে ফেরা লোকসাহিত্য বা গীতিকাগুলো মাঠপর্যায়ে ঘুরে ঘুরে সংগ্রহ করেছিলেন চন্দ্রকুমার দে। এই সংগৃহীত লোকসাহিত্য ও মর্মান্তিক প্রেমের কাহিনীগুলো পরবর্তীতে ড. দীনেশ চন্দ্র সেনের সম্পাদনায় গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চন্দ্রকুমার দে ছিলেন ময়মনসিংহ জেলার কিশোরগঞ্জ এলাকার একজন নিবেদিতপ্রাণ লোকসাহিত্য সংগ্রাহক। তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রমে সংগৃহীত পালাগুলো বাংলা লোকসাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহুয়া পালা। ব্যাখ্যা: চন্দ্রকুমার দে সংগৃহীত মৈমনসিংহ-গীতিকার অন্যতম বিখ্যাত একটি প্রেমমূলক পালা এটি। উদাহরণ ২: মলুয়া পালা। ব্যাখ্যা: এটিও চন্দ্রকুমার দে কর্তৃক সংগৃহীত মৈমনসিংহ-গীতিকার অন্তর্ভুক্ত একটি জনপ্রিয় লোকগাথা। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. দীনেশ চন্দ্র সেন — তিনি মৈমনসিংহ-গীতিকা সংকলন ও সম্পাদনা করেছেন, কিন্তু মাঠপর্যায়ে সরাসরি এটি সংগ্রহ করেননি। B) ড. সুনীতিকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় — ইনি মৈমনসিংহ-গীতিকা সংগ্রহ বা সম্পাদনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, তিনি একজন বিশিষ্ট ভাষাবিদ। D) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — ইনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস এবং লোকসাহিত্য নিয়ে কাজ করলেও মৈমনসিংহ-গীতিকা সংগ্রহ করেননি। ৫ মনে রাখার টিপস: গীতিকা সংগ্রহ করেছেন মাঠের মানুষ চন্দ্রকুমার দে এবং সম্পাদনা করেছেন দীনেশ চন্দ্র সেন। সংগ্রাহক ও সম্পাদকের এই পার্থক্যটি মনে রাখলে পরীক্ষাকলে বিভ্রান্তি এড়ানো সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মৈমনসিংহ-গীতিকা প্রথম ইংরেজি ভাষায় অনুবাদ করেন কে, এই প্রশ্নটি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। এই অনুবাদটি করেছিলেন ড্রুইট সেন এবং এর ভূমিকা লিখেছিলেন ড. দীনেশ চন্দ্র সেন।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0