প্রশ্নের বর্ণনা

a কাহ্নপাদ
b লুইপাদ
c শান্তিপাদ
d রমণীপাদ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) রমণীপাদ ১. কেন সঠিক: - চর্যাপদের কবিদের নামের শেষে সাধারণত পাদ পদবী যুক্ত থাকে এবং রমণীপাদ নামে কোনো চর্যাপদ রচয়িতা পাওয়া যায়নি। - হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আবিষ্কৃত চর্যাপদের পুথিতে মোট তেইশ জন বা পদকর্তার নাম পাওয়া যায়, যার মধ্যে রমণীপাদ অন্তর্ভুক্ত নন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ বৌদ্ধ সহজিয়া সাহিত্যের গান এবং এটি মূলত বাংলা ভাষার আদি রূপ। - ড. সুকুমার সেন ও ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে চর্যাপদের রচনাকাল আনুমানিক দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত বিস্তৃত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লুইপাদ ব্যাখ্যা: তিনি চর্যাপদের প্রথম পদটির রচয়িতা এবং প্রাচীন যুগের অন্যতম প্রধান একজন কবি হিসেবে স্বীকৃত। উদাহরণ ২: কাহ্নপাদ ব্যাখ্যা: তিনি চর্যাপদের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক পদ রচনা করেছিলেন এবং তাঁর পদের সংখ্যা তেরোটি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাহ্নপাদ — ইনি চর্যাপদের একজন প্রখ্যাত কবি এবং সর্বাধিক পদের রচয়িতা হওয়ায় প্রাচীন যুগের কবি নন এই দাবির সঙ্গে মেলে না। B) লুইপাদ — ইনি চর্যাপদের প্রথম পদের রচয়িতা এবং প্রাচীন যুগের সর্বজনস্বীকৃত একজন সিদ্ধাচার্য কবি। C) শান্তিপাদ — ইনিও চর্যাপদের একজন পরিচিত পদকর্তা এবং প্রাচীন যুগের বৌদ্ধ সহজিয়া সাহিত্যের সঙ্গে যুক্ত। D) রমণীপাদ — চর্যাপদের প্রাপ্ত পদকর্তাদের তালিকায় এই নামের কোনো কবির অস্তিত্ব নেই বলে এটি সঠিক উত্তর। ৫ মনে রাখার টিপস: চর্যাপদের কবিদের নাম মনে রাখার জন্য নামের শেষে সাধারণত পাদ বা পা যুক্ত থাকে এবং রমণীপাদ নামটির কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: চর্যাপদের মোট কবির সংখ্যা নিয়ে মতভেদ থাকলেও হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে তেইশ জন এবং সুকুমার সেনের মতে চব্বিশ জন কবি রয়েছেন।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0