প্রশ্নের বর্ণনা

a বাণিজ্য কেন্দ্র
b নতুন খনিজ সম্পদ প্রাপ্তি
c প্রত্নতাত্ত্বিক খনন
d সাহিত্য চর্চা কেন্দ্র
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) প্রত্নতাত্ত্বিক খনন ১. কেন সঠিক: - উয়ারী-বটেশ্বর নরসিংদী জেলার বেলাবো ও মনোহরদী উপজেলায় অবস্থিত প্রাচীন বাংলার একটি ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান। - এখানে নিয়মিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননকাজের মাধ্যমে মৌর্য আমলের বা তারও আগের প্রাচীন দুর্গনগরী, রৌপ্যমুদ্রা ও সভ্যতার নিদর্শন আবিষ্কৃত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলাদেশ ও বাঙালির প্রাচীন ইতিহাস এবং প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত একটি সাধারণ জ্ঞান ও ইতিহাসভিত্তিক প্রশ্ন। - এই প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানটি আবিষ্কারের ফলে বাংলার প্রাচীন সভ্যতার কাল আরও অন্তত আড়াই হাজার বছর পেছনের দিকে প্রসারিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মহাস্থানগড় ব্যাখ্যা: এটি বগুড়া জেলায় অবস্থিত বাংলার প্রাচীনতম প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান এবং পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী। উদাহরণ ২: ময়নামতি ব্যাখ্যা: এটি কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতার একটি অন্যতম প্রধান প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাণিজ্য কেন্দ্র — উয়ারী-বটেশ্বর একটি প্রাচীন বাণিজ্য কেন্দ্র হলেও এটি মূলত প্রত্নতাত্ত্বিক খননকাজের জন্যই বর্তমানে সর্বাধিক আলোচিত। B) নতুন খনিজ সম্পদ প্রাপ্তি — উয়ারী-বটেশ্বরে কোনো নতুন খনিজ সম্পদ আবিষ্কৃত হয়নি, বরং এখানে প্রাচীন সভ্যতার প্রত্নবস্তু পাওয়া গেছে। C) প্রত্নতাত্ত্বিক খনন — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে বৈজ্ঞানিক খননের ফলেই প্রাচীন ইতিহাস উন্মোচিত হয়েছে। D) সাহিত্য চর্চা কেন্দ্র — উয়ারী-বটেশ্বর প্রাচীনকালে সাহিত্য চর্চার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল না, এটি মূলত প্রাচীন জনপদ ও দুর্গনগরী ছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: - উয়ারী-বটেশ্বর মানেই মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা প্রাচীন ইতিহাস খোঁজার স্থান, অর্থাৎ প্রত্নতাত্ত্বিক খনন। - নরসিংদীর উয়ারী-বটেশ্বর নাম শুনলেই প্রাচীন মুদ্রা ও প্রত্নতাত্ত্বিক খননের কথা মনে রাখবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - উয়ারী-বটেশ্বরের প্রত্নতাত্ত্বিক খননকাজের প্রধান গবেষক ছিলেন অধ্যাপক সুফি মোস্তাফিজুর রহমান। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাচীন জনপদ ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই স্থানগুলোর নাম ও জেলা ভালোভাবে মুখস্থ রাখবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0