প্রশ্নের বর্ণনা

a সুরেন্দ্রনাথ মজুমদার
b বিহারীলাল চক্রবর্তী
c সত্যেন্দ্রনাথ
d রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সুরেন্দ্রনাথ মজুমদার ১. কেন সঠিক: উনিশ শতকের জনপ্রিয় বাংলা কাব্যগ্রন্থ ‘মহিলা’ এর রচয়িতা সুরেন্দ্রনাথ মজুমদার। এই কাব্যগ্রন্থে মূলত নারী জাতির মহিমা ও তাদের গুণকীর্তন করা হয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: সুরেন্দ্রনাথ মজুমদার উনিশ শতকের একজন প্রতিভাবান কবি যিনি মূলত কাব্যচর্চার জন্য পরিচিত। তার এই ‘মহিলা’ কাব্যটি সে যুগে বেশ সমাদৃত হয়েছিল এবং এর কাব্যিক গুণাগুণ প্রশংসিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুরেন্দ্রনাথ মজুমদারের ‘মহিলা’ কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি উনিশ শতকে প্রকাশিত একটি বিশিষ্ট কাব্যগ্রন্থ যা নারীর মর্যাদা ও মহত্ত্ব প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: বিহারীলাল চক্রবর্তীর ‘সারদামঙ্গল’ কাব্য। ব্যাখ্যা: এটিও উনিশ শতকের একটি বিখ্যাত কাব্য যা গীতিকবিতার ধারায় বিশেষ স্থান দখল করে আছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুরেন্দ্রনাথ মজুমদার — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনিই ‘মহিলা’ কাব্যের রচয়িতা। B) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি উনিশ শতকের বিশিষ্ট কবি হলেও ‘মহিলা’ কাব্যের রচয়িতা নন, তিনি ‘সারদামঙ্গল’ কাব্যের জন্য পরিচিত। C) সত্যেন্দ্রনাথ — তিনি মূলত বিশ শতকের প্রখ্যাত ছান্দসিক কবি, তাই উনিশ শতকের এই কাব্যের সঙ্গে তিনি সম্পর্কিত নন। D) রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি উনিশ শতকের কবি হলেও তার বিখ্যাত কাব্য হলো ‘পদ্মাবতী’ ও ‘কর্মদেবী’, ‘মহিলা’ কাব্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: সুরেন্দ্রনাথ মজুমদার নামটির সঙ্গে ‘মহিলা’ কাব্যটি মনে রাখতে পারেন এভাবে যে সুর দিয়ে তিনি নারীদের নিয়ে কাব্য রচনা করেছেন। উনিশ শতকের কবিদের মধ্যে সুরেন্দ্রনাথ মজুমদারের একমাত্র বড় পরিচয় এই ‘মহিলা’ কাব্যগ্রন্থটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উনিশ শতকের বিভিন্ন কবির বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম প্রায়ই আসে। সাহিত্যিক প্রশ্ন সমাধানের জন্য কবিদের প্রধান কাব্যগ্রন্থের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা উচিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0