প্রশ্নের বর্ণনা

a সংস্কৃত কলেজ
b প্রেসিডেন্সী কলেজ
c ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ
d কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সংস্কৃত কলেজ ১. কেন সঠিক: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ থেকে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন এবং পাণ্ডিত্য ও মেধার স্বীকৃতিস্বরূপ কলেজ কর্তৃপক্ষ তাঁকে বিদ্যাসাগর উপাধি প্রদান করে। এই উপাধির মাধ্যমে তাঁর নামের সঙ্গে চিরতরে বিদ্যাসাগর শব্দটি যুক্ত হয়ে যায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর উনিশ শতকের বাংলা গদ্যসাহিত্যের অন্যতম প্রধান স্থপতি ও সমাজসংস্কারক। তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর বর্তমান ঝিনাইদহ বা তৎকালীনা নদীয়া জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক রূপকার। ব্যাখ্যা: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাঁর বেতাল পঞ্চবিংশতি ও শকুন্তলা গ্রন্থের মাধ্যমে বাংলা গদ্যকে প্রাঞ্জল ও গতিশীল করেন। উদাহরণ ২: বর্ণপরিচয় রচনা। ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষার প্রাথমিক শিক্ষা প্রসারে ১৮৫৫ সালে তিনি বর্ণপরিচয় প্রথম ও দ্বিতীয় ভাগ রচনা করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কৃত কলেজ — সঠিক উত্তর কারণ এই প্রতিষ্ঠানটিই তাঁর পাণ্ডিত্যের স্বীকৃতিস্বরূপ উপাধিটি দিয়েছিল। B) প্রেসিডেন্সী কলেজ — এই প্রতিষ্ঠানটি বিদ্যাসাগর উপাধি প্রদানের সঙ্গে কোনোভাবেই যুক্ত নয়। C) ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ — এটি মূলত গদ্যচর্চার কেন্দ্র ছিল এবং বিদ্যাসাগর এখানে হেড রাইটার হিসেবে কাজ করেছিলেন, উপাধি পাননি। D) কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় — এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৫৭ সালে, যা বিদ্যাসাগর উপাধি প্রাপ্তির পরের ঘটনা। ৫ মনে রাখার টিপস: বিদ্যাসাগর শব্দটি এসেছে সংস্কৃত কলেজ থেকে তাঁর পাওয়া শিক্ষা ও উপাধির মাধ্যমে। মনে রাখবে সংস্কৃতে পণ্ডিত বলেই তিনি বিদ্যাসাগর হয়েছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূল পদবি ছিল বন্দ্যোপাধ্যায় আর বিদ্যাসাগর হলো তাঁর উপাধি। বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তাঁর উপাধি প্রাপ্তির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0