প্রশ্নের বর্ণনা

a সম্বাদ কৌমুদী
b সমাচার দর্পণ
c সংবাদ প্রভাকর
d সম্বাদ ভাস্কর
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সংবাদ প্রভাকর ১. কেন সঠিক: - ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত ও প্রকাশিত প্রথম ও সবচেয়ে বিখ্যাত পত্রিকা হলো সংবাদ প্রভাকর। - বাংলা সংবাদপত্র ও সাহিত্যচর্চার ইতিহাসে উনিশ শতকের প্রথার্ডে এই পত্রিকার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত বাংলা সংবাদপত্রের ইতিহাসে যুগান্তর এনেছিলেন এবং বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়সহ বহু তরুণ সাহিত্যিককে তিনি উৎসাহিত করেছিলেন। - সংবাদ প্রভাকর প্রথমে সাপ্তাহিক হিসেবে প্রকাশিত হলেও পরবর্তীতে এটি দৈনিক রূপ লাভ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সংবাদ প্রভাকর পত্রিকা ১৮৩১ সালের ২৮ জানুয়ারি প্রকাশিত হয়। ব্যাখ্যা: এটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত প্রথম পত্রিকা এবং এটি বাংলা সাংবাদিকতার ইতিহাসে একটি মাইলফলক। উদাহরণ ২: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই পত্রিকাতেই প্রথম তাঁর সাহিত্যচর্চা শুরু করেছিলেন। ব্যাখ্যা: এই পত্রিকার মাধ্যমে অনেক প্রতিভাবান সাহিত্যিক বিকাশ লাভ করেছিলেন বলেই একে তৎকালীন সাহিত্যচর্চার আঁতুড়ঘর বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্বাদ কৌমুদী — রাজা রামমোহন রায়ের উদ্যোগে ১৮২১ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর সম্পাদক ছিলেন ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়। B) সমাচার দর্পণ — ব্যাপ্টিস্ট মিশন থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা সংবাদপত্র এবং এর সম্পাদক ছিলেন জন ক্লার্ক মার্শম্যান। D) সম্বাদ ভাস্কর — ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের পত্রিকা নয়, এটি গৌরীশঙ্কর তর্কবাগীশ কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত একটি বিখ্যাত পত্রিকা। ৫ মনে রাখার টিপস: - ঈশ্বরগুপ্ত মানেই সংবাদ প্রভাকর, কারণ তিনি এর প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন। - কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে যুগসন্ধিক্ষণের কবি বলা হয় এবং তাঁর পত্রিকা ছিল সংবাদ প্রভাকর। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সংবাদ প্রভাকর পত্রিকাটি ১৮৩১ সালে প্রকাশিত হয় এবং ১৮৩৯ সাল থেকে এটি দৈনিক পত্রিকায় রূপান্তরিত হয়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সংবাদপত্রের নাম এবং এর সম্পাদকের নাম জিজ্ঞেস করা হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0