প্রশ্নের বর্ণনা

a বাংলাভাষা শিক্ষার্থী ইংরেজ
b ইংরেজি ভাবধারাপুষ্ট বাঙালি যুবক
c একটি সাহিত্যিক গোষ্ঠীর নাম
d একটি সাময়িক পত্রের নাম
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইংরেজি ভাবধারাপুষ্ট বাঙালি যুবক ১. কেন সঠিক: - ইয়ংবেঙ্গল বলতে উনবিংশ শতাব্দীতে হিন্দু কলেজের শিক্ষক হেনরি লুই ভিরোজিও ডিরোজিওর অনুসারী প্রগতিশীল বাঙালি যুবকদের বোঝানো হয়। - এই যুবকেরা পাশ্চাত্য শিক্ষা, বিজ্ঞানমনস্কতা এবং আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে সমাজ সংস্কারে ব্রতী হয়েছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উনিশ শতকের বাংলার নবজাগরণের ইতিহাসে ইয়ংবেঙ্গল বা ডিরোচিয়ানদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। - তারা প্রচলিত সামাজিক কুসংস্কার, ধর্মান্ধতা ও গোঁড়ামির তীব্র বিরোধিতা করে মুক্তবুদ্ধির চর্চা করেছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্যারীচাঁদ মিত্রের আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসে তৎকালীন সমাজের কিছু ইংরেজিপ্রভাবিত যুবকের বিকৃত আচরণের চিত্র পাওয়া যায়। ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে সেকালের যুবকদের একটি অংশের ইংরেজি প্রীতির নেতিবাচক দিক ফুটে উঠেছে। উদাহরণ ২: মাইকেল মধুসূদন দত্ত তাঁর সাহিত্যকর্মে পাশ্চাত্য সাহিত্যরীতির সফল প্রয়োগ করেছিলেন। ব্যাখ্যা: তিনিও পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রভাবে আধুনিক মানসিকতাসম্পন্ন একজন সাহিত্যিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাংলাভাষা শিক্ষার্থী ইংরেজ — এই অপশনটি ভুল কারণ ইয়ংবেঙ্গল বলতে ইংরেজদের বোঝানো হয়নি, বরং বাঙালি যুবকদের বোঝানো হয়েছে। B) ইংরেজি ভাবধারাপুষ্ট বাঙালি যুবক — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই যুবকেরা ইংরেজি শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রভাবে প্রভাবিত ছিলেন। C) একটি সাহিত্যিক গোষ্ঠীর নাম — এটি ভুল কারণ ইয়ংবেঙ্গল কোনো নির্দিষ্ট সাহিত্যিক গোষ্ঠী ছিল না, তারা মূলত একটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন। D) একটি সাময়িক পত্রের নাম — এটি ভুল কারণ ইয়ংবেঙ্গল কোনো পত্রিকা বা সাময়িকী ছিল না, এটি ছিল একটি প্রগতিশীল মানবগোষ্ঠী। ৫ মনে রাখার টিপস: ডিরোজিওর ছাত্ররাই ইতিহাসে ইয়ংবেঙ্গল বা নব্যবঙ্গ নামে পরিচিত। ইংরেজি শিক্ষা এবং মুক্তবুদ্ধি চর্চার সঙ্গে এই শব্দটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ডিরোজিওর অনুসারীদের 'হিন্দু কোয়েজিস্ট' বা ডিরোচিয়ান নামেও অভিহিত করা হয়। এই ধরনের ঐতিহাসিক ও সমাজসংস্কারমূলক প্রশ্নগুলো বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0